যে কারণে হাদি হত্যার বিচারে বিলম্ব, জানালেন আসিফ নজরুল
সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যার বিচার এখনও বিলম্বিত রয়েছে। রবিবার (১৫ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, “ওসমান হাদি ছিলেন সাধারণ মানুষের অতি প্রিয় মুখ। বহু মানুষ আমাকে অনুরোধ করেছেন হাদির হত্যার বিচারের জন্য। আমি যখন সরকারে দায়িত্বে ছিলাম, তখন আশা করেছিলাম যে এই বিচার দ্রুত ট্রাইব্যুনালে শুরু হবে এবং আমাদের সরকারের মেয়াদে এটি সম্পন্ন হবে।” তবে আসিফ নজরুল বলেন, “দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, হত্যার বিচার এখনও শুরু হয়নি। এ বছরের ৬ জানুয়ারি হাদি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিলেন।” মামলার বাদী অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট না হয়ে এর বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন দেন। এ ধরনের মামলায় নারাজি দেওয়া হলে আদালতের পক্ষে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বিচার শুরু করা সমীচীন হয় না। আদালত তাই মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের সিআইডিকে নির্দেশ দেন। এই তদন্ত এখনো শেষ হয়নি, তাই বিচারও শুরু করা যায়নি। তিনি বলেন, ‘সিআইডির তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করলে এবং এতে আর নারাজি না এলে বিচারকার্য শুরু হবে। কিন্ত
সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যার বিচার এখনও বিলম্বিত রয়েছে।
রবিবার (১৫ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, “ওসমান হাদি ছিলেন সাধারণ মানুষের অতি প্রিয় মুখ। বহু মানুষ আমাকে অনুরোধ করেছেন হাদির হত্যার বিচারের জন্য। আমি যখন সরকারে দায়িত্বে ছিলাম, তখন আশা করেছিলাম যে এই বিচার দ্রুত ট্রাইব্যুনালে শুরু হবে এবং আমাদের সরকারের মেয়াদে এটি সম্পন্ন হবে।”
তবে আসিফ নজরুল বলেন, “দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, হত্যার বিচার এখনও শুরু হয়নি। এ বছরের ৬ জানুয়ারি হাদি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিলেন।”
মামলার বাদী অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট না হয়ে এর বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন দেন। এ ধরনের মামলায় নারাজি দেওয়া হলে আদালতের পক্ষে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বিচার শুরু করা সমীচীন হয় না। আদালত তাই মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের সিআইডিকে নির্দেশ দেন। এই তদন্ত এখনো শেষ হয়নি, তাই বিচারও শুরু করা যায়নি।
তিনি বলেন, ‘সিআইডির তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করলে এবং এতে আর নারাজি না এলে বিচারকার্য শুরু হবে। কিন্তু তদন্তে ত্রুটি, অসম্পূর্ণতা বা অন্য যে কোনো কারণে বাদী আবারও নারাজি দিলে বিচার আরো পেছাতে পারে।’
সাবেক এই আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘আদালত সার্বিক বিবেচনায় সঠিক মনে করলে বাদীর নারাজিকে অগ্রাহ্য করে বিচার শুরু করতে পারেন। কিন্তু তাতে বিচার নিয়ে বিতর্ক ওঠার আশঙ্কা থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যতটা ভাবি, তদন্ত আর বিচার আসলে এত সরল বিষয় নয়।
তবে সবার সদিচ্ছা থাকলে বিলম্ব হ্রাস করা সম্ভব, সঠিক তদন্ত ও বিচারও সম্ভব। এই সদিচ্ছা আমাদের সবার থাকা উচিত।’
What's Your Reaction?