যে দলে যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহী এমপি

লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ বিদ্রোহী এমপি ত্রিপুরাভিত্তিক বাংলা-আঞ্চলিক দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়ার (এনসিপিআই) সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ-সংক্রান্ত চিঠি জমা দেওয়ার পর বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আমাদের কাছে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। আমরা এনডিএর অংশ হব এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কাজ করবো। এই পদক্ষেপে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সংকট আরও গভীর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে লোকসভায় দলটির ২৮ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন। বিদ্রোহী এমপিদের এই সিদ্ধান্ত সংসদের আসন্ন বর্ষাকালীন অধিবেশনের আগে বিরোধী শিবিরের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেবে। এর আগে তৃণমূলের সংসদ সদস্য সাগরিকা ঘোষ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সংসদীয় দলনেতা অভিষেক ব্যানার্জীর একটি চিঠি জমা দেন। সেখানে বিদ্রোহী এমপিদের স্বীকৃতি না দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। আদালতের রায় উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, আইন কোনো রাজনৈতিক দলের বিভক্তিকে বৈধ ঘটনা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। এ ধরনের কর

যে দলে যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলের ২০ বিদ্রোহী এমপি

লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ বিদ্রোহী এমপি ত্রিপুরাভিত্তিক বাংলা-আঞ্চলিক দল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়ার (এনসিপিআই) সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ-সংক্রান্ত চিঠি জমা দেওয়ার পর বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, আমাদের কাছে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। আমরা এনডিএর অংশ হব এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কাজ করবো।

এই পদক্ষেপে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ সংকট আরও গভীর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে লোকসভায় দলটির ২৮ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন। বিদ্রোহী এমপিদের এই সিদ্ধান্ত সংসদের আসন্ন বর্ষাকালীন অধিবেশনের আগে বিরোধী শিবিরের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেবে।

এর আগে তৃণমূলের সংসদ সদস্য সাগরিকা ঘোষ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সংসদীয় দলনেতা অভিষেক ব্যানার্জীর একটি চিঠি জমা দেন। সেখানে বিদ্রোহী এমপিদের স্বীকৃতি না দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

আদালতের রায় উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, আইন কোনো রাজনৈতিক দলের বিভক্তিকে বৈধ ঘটনা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে দলত্যাগবিরোধী আইনের আলোকে বিবেচনা করা হয়।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, স্পিকার রাজনৈতিক দলকে স্বীকৃতি দেন, প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীকে নয়। যদি একাধিক পক্ষ নিজেদের প্রকৃত রাজনৈতিক দল বলে দাবি করে, তবে স্পিকারকে প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করতে হয় কোন পক্ষটি প্রকৃত দল। আইনি কাঠামো একটি ‘প্রকৃত রাজনৈতিক দল’ নির্ধারণের কথা বলে, কোনো গোষ্ঠীকে আলাদা স্বীকৃতি দেওয়ার নয়।

সূত্র: এনডিটিভি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow