যেকোনো সময় বন্ধ হতে পারে দেশের সমস্ত পেট্রোল পাম্প

দেশে জ্বালানি সংকট ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে যেকোনো সময় পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। রোববার (২২ মার্চ) রাতে সংগঠনটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে সরবরাহকৃত দৈনিক জ্বালানি দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এতে পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা শারীরিক ও মানসিকভাবে চাপে পড়ছেন বলেও উল্লেখ করা হয়। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় যেকোনো সময় পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। সংগঠনটি জানায়, ঈদের আগের দিন একটি জেলা শহরের একটি পাম্পে ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ও একই পরিমাণ অকটেন মজুত থাকলেও অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলার কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যায়। অন্য একটি পাম্পে থাকা প্রায় ৮ হাজার লিটার জ্বালানিও দ্রুত শেষ হয়ে যায়। বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, গভীর রাতে সংঘবদ্ধভাবে কিছু লোক পাম্পে এসে জোরপূর্বক তেল নেওয়ার চেষ্টা করছে। ঠাকুরগাঁওয়ের একটি ঘটনার উদাহরণ দিয়ে বলা হয়, সেখানে লাঠিসোঁটা নিয়ে

যেকোনো সময় বন্ধ হতে পারে দেশের সমস্ত পেট্রোল পাম্প

দেশে জ্বালানি সংকট ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে যেকোনো সময় পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

রোববার (২২ মার্চ) রাতে সংগঠনটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে সরবরাহকৃত দৈনিক জ্বালানি দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।

এতে পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা শারীরিক ও মানসিকভাবে চাপে পড়ছেন বলেও উল্লেখ করা হয়। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় যেকোনো সময় পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

সংগঠনটি জানায়, ঈদের আগের দিন একটি জেলা শহরের একটি পাম্পে ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ও একই পরিমাণ অকটেন মজুত থাকলেও অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলার কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যায়। অন্য একটি পাম্পে থাকা প্রায় ৮ হাজার লিটার জ্বালানিও দ্রুত শেষ হয়ে যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, গভীর রাতে সংঘবদ্ধভাবে কিছু লোক পাম্পে এসে জোরপূর্বক তেল নেওয়ার চেষ্টা করছে। ঠাকুরগাঁওয়ের একটি ঘটনার উদাহরণ দিয়ে বলা হয়, সেখানে লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে জ্বালানি সরবরাহ চলাকালে সব তেল নিয়ে নেওয়া হয়েছে।

সংগঠনটির মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধু জ্বালানি ঘাটতিই নয়, পেট্রোল পাম্পের নিরাপত্তাও বড় সংকটে পড়েছে। ডিপো থেকে তেল পরিবহনের সময় ট্যাংকার লুট হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

এই অবস্থায় দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow