যেভাবে এয়ারপোর্টে মবের শিকার আলিয়া, জানালেন দেহরক্ষী

সেলিব্রিটিদের দেখা পেলেই অনেক সময় ভক্তরা এমনভাবে ভিড় করেন। তবে কিছু কিছু সময় সেটা একেবারের মবের রূপ নেয়। এমনই এক ঘটনার মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিনেত্রী আলিয়া ভাট, যা তাকে ভীষণভাবে ‘ভীত’ ও ‘অস্বস্তিকর’ করে তুলেছিল। এক্সক্লুসিভ এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দেহরক্ষী জিশান কুরেশি সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করেন। তিনি জানান, ২০১৪ সালে আলিয়া ভাটের সঙ্গে বিদেশ সফরের সময় বিমানবন্দরে এই ঘটনা ঘটে। জিশান বলেন, তিনি তখন আলিয়ার সঙ্গে ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ সিনেমার সময় থেকেই কাজ করছিলেন। প্রায় তিন থেকে চার বছর তার নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন তিনি। সেই সময় পুরো টিমসহ আলিয়া একটি বিদেশি গন্তব্যে যাচ্ছিলেন। ইমিগ্রেশন শেষ করে আলিয়া বিমানবন্দরের এক পাশে একা দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন তার সঙ্গে দেহরক্ষী বা টিমের কেউ ছিলেন না। ঠিক সেই মুহূর্তে বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্মকর্তা ও কর্মীরা তাকে ঘিরে ধরেন। অনেকেই সেলফি তুলতে এগিয়ে আসেন, কেউ কেউ তার কাঁধে হাত রেখে ছবি তোলার চেষ্টা করেন। এমনভাবে বাধ্য করার চেষ্টা করেন যে এটা ছিল অস্বস্তিকর। জিশানের ভাষায়, আলিয়া তখন ভয়ে একদম চুপচাপ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল

যেভাবে এয়ারপোর্টে মবের শিকার আলিয়া, জানালেন দেহরক্ষী

সেলিব্রিটিদের দেখা পেলেই অনেক সময় ভক্তরা এমনভাবে ভিড় করেন। তবে কিছু কিছু সময় সেটা একেবারের মবের রূপ নেয়। এমনই এক ঘটনার মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিনেত্রী আলিয়া ভাট, যা তাকে ভীষণভাবে ‘ভীত’ ও ‘অস্বস্তিকর’ করে তুলেছিল।

এক্সক্লুসিভ এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দেহরক্ষী জিশান কুরেশি সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করেন। তিনি জানান, ২০১৪ সালে আলিয়া ভাটের সঙ্গে বিদেশ সফরের সময় বিমানবন্দরে এই ঘটনা ঘটে।

জিশান বলেন, তিনি তখন আলিয়ার সঙ্গে ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ সিনেমার সময় থেকেই কাজ করছিলেন। প্রায় তিন থেকে চার বছর তার নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন তিনি। সেই সময় পুরো টিমসহ আলিয়া একটি বিদেশি গন্তব্যে যাচ্ছিলেন।

ইমিগ্রেশন শেষ করে আলিয়া বিমানবন্দরের এক পাশে একা দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন তার সঙ্গে দেহরক্ষী বা টিমের কেউ ছিলেন না। ঠিক সেই মুহূর্তে বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্মকর্তা ও কর্মীরা তাকে ঘিরে ধরেন। অনেকেই সেলফি তুলতে এগিয়ে আসেন, কেউ কেউ তার কাঁধে হাত রেখে ছবি তোলার চেষ্টা করেন। এমনভাবে বাধ্য করার চেষ্টা করেন যে এটা ছিল অস্বস্তিকর।

জিশানের ভাষায়, আলিয়া তখন ভয়ে একদম চুপচাপ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন, হাত-পা গুটিয়ে অস্বস্তিতে ছিলেন। পরিস্থিতিটি তার জন্য খুবই অস্বাভাবিক ও চাপের ছিল।

পরে ইমিগ্রেশন শেষ করে দ্রুত সেখানে পৌঁছে জিশান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং সংশ্লিষ্টদের সরে যেতে বলেন। তিনি সবাইকে বোঝান, একজন নারী একা দাঁড়িয়ে থাকলে তার ব্যক্তিগত সীমারেখা সম্মান করা উচিত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow