যেভাবে চোরের খপ্পরে পড়লেন ব্যারিস্টার আরমান 

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রশিবিরের আয়োজিত এক কর্মসূচিতে এসে মোবাইল ফোন খুইয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনেরে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম আরমান। তবে মোবাইল চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির পরিচয় জানা না গেলেও তাকে শনাক্ত করেছেন ব্যারিস্টার আরমান নিজেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার ভেরিফাইড একাউন্টে দেয়া এক পোস্টে ব্যারিস্টার আরমান জানান, ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার জুলাই নিয়ে একটি আয়োজন আমি মোবাইলে লাইভ সম্প্রচার করছিলাম। এমন সময় ওই আয়োজনের আইডি কার্ড পরা এক যুবক এসে বলে, ‘‘ফোনটা আমার হাতে দিন, আপনি স্বাচ্ছন্দ্যে কথা বলুন।’’ আইডি কার্ড দেখে বিশ্বাস করে ফোনটি তার হাতে দিয়ে আমি বর্ণনা দিচ্ছিলাম। কিছুক্ষণ পর দেখি সে ফোনসহ উধাও। পোস্টে তিনি ওই ব্যক্তির কোনো খোঁজ পেলে বা কেউ তাকে চিনতে পারলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করেছেন। যোগাযোগের জন্য তিনি সাজ্জাদ হোসাইন ও আব্দুল মালেক (সহকারী) নামের দুই জনের মোবাইল নাম্বার উল্লেখ কর দিয়েছেন। এ সময় তিনি পোস্টটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দেওয়ারও অনুরোধ করেন। জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে

যেভাবে চোরের খপ্পরে পড়লেন ব্যারিস্টার আরমান 

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রশিবিরের আয়োজিত এক কর্মসূচিতে এসে মোবাইল ফোন খুইয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনেরে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম আরমান। তবে মোবাইল চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির পরিচয় জানা না গেলেও তাকে শনাক্ত করেছেন ব্যারিস্টার আরমান নিজেই।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার ভেরিফাইড একাউন্টে দেয়া এক পোস্টে ব্যারিস্টার আরমান জানান, ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার জুলাই নিয়ে একটি আয়োজন আমি মোবাইলে লাইভ সম্প্রচার করছিলাম। এমন সময় ওই আয়োজনের আইডি কার্ড পরা এক যুবক এসে বলে, ‘‘ফোনটা আমার হাতে দিন, আপনি স্বাচ্ছন্দ্যে কথা বলুন।’’ আইডি কার্ড দেখে বিশ্বাস করে ফোনটি তার হাতে দিয়ে আমি বর্ণনা দিচ্ছিলাম। কিছুক্ষণ পর দেখি সে ফোনসহ উধাও।

পোস্টে তিনি ওই ব্যক্তির কোনো খোঁজ পেলে বা কেউ তাকে চিনতে পারলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করেছেন। যোগাযোগের জন্য তিনি সাজ্জাদ হোসাইন ও আব্দুল মালেক (সহকারী) নামের দুই জনের মোবাইল নাম্বার উল্লেখ কর দিয়েছেন। এ সময় তিনি পোস্টটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দেওয়ারও অনুরোধ করেন।

জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি উজ্জীবিত রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির বটতলা এলাকায় ‘জুলাই প্রদর্শনী’র আয়োজন করে। কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে লাইভ সম্প্রচারের জন্য ব্যারিস্টার আরমান উপস্থিত এক ব্যক্তির হাতে মোবাইল ফোনটি দেন। কিছুক্ষণ পর লাইভ চলা অবস্থাতেই ওই ব্যক্তি ফোনটি নিয়ে সেখান থেকে চলে যান। পরে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্র সংসদের এজিএস মুশফিক তাজওয়ার মাহির বলেন, ‘জুলাই প্রদর্শনীর অনুষ্ঠান থেকে ব্যারিস্টার আরমানের মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে। আরমান ভাই গলায় কার্ড ঝোলানো এক ব্যক্তিকে লাইভ করার দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন, ছেলেটি আয়োজকদেরই একজন। কিন্তু পরে জানা যায়, তিনি আয়োজকদের কেউ নন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ডেকোরেশনের কাজে যুক্ত ছিলেন।’

তিনি আরও জানান, ঘটনার পরপরই ব্যারিস্টার আরমানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি শাহবাগ থানায় যান এবং সেখানে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার এএসআই জুয়েল মজুমদার বলেন, ‘ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম মোবাইল ফোন চুরির ঘটনায় একটি জিডি করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow