যৌতুক দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন

মেহেরপুর শহরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় স্বামী সাজু হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৬ মে) দুপুরে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক আলী মাসুদ শেখ এ রায় দেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন। রায়ের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত সাজু হোসেন মেহেরপুর শহরের নতুনপাড়া এলাকার নুর ইসলামের ছেলে। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ ডিসেম্বর যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী ডলি খাতুনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করেন সাজু হোসেন। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ ডিসেম্বর ডলি খাতুন মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের মা শেফালি খাতুন বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দ

যৌতুক দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন

মেহেরপুর শহরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় স্বামী সাজু হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) দুপুরে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক আলী মাসুদ শেখ এ রায় দেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।

রায়ের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত সাজু হোসেন মেহেরপুর শহরের নতুনপাড়া এলাকার নুর ইসলামের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ ডিসেম্বর যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী ডলি খাতুনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করেন সাজু হোসেন। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ ডিসেম্বর ডলি খাতুন মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের মা শেফালি খাতুন বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার বিচার চলাকালে ১১ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও জবানবন্দির ভিত্তিতে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।

আসিফ ইকবাল/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow