রংপুরে ডিমের হালি ৫০ টাকা, চড়া সবজির বাজার

রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পোলট্রি মুরগির ডিমের দাম। সেই সঙ্গে দাম বেড়েছে অধিকাংশ সবজির। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে চাল-ডালসহ অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। মঙ্গলবার (৫ মে) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। পাইকারি বাজারে একশ ডিমের দাম পড়ছে ১১৫০ থেকে ১২০০ টাকা। মুলাটোল আমতলা বাজারের ডিম বিক্রেতা ভুট্টো মিয়া বলেন, গতকাল পর্যন্ত একশ ডিমের দাম ১০৫০ টাকা ছিল। আজ হঠাৎ করে তা ১১৫০ থেকে ১২০০ টাকা হয়েছে। এ কারণে খুচরা বাজারে ডিমের হালি ৫০ টাকা করে বিক্রি করতে হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এমনটা হয়েছে বলে তিনি জানান। এদিকে সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হলেও গাজর ৫০-৬০ টাকা থেকে লাফিয়ে ৮০-১০০ টাকা, কাঁকরোল ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০ টাকা, ঝিংগা ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০-৭০ টাকা, চালকুমড়া প্রতিপিস (আকারভেদে) ৩৫-৪০ থেকে বেড়ে ৪০-৫০ টাকা, কাঁচকলার হালি ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৪০ টাকা, দুধকুষি ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, সজনে ১০০-১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৮০-২

রংপুরে ডিমের হালি ৫০ টাকা, চড়া সবজির বাজার

রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে পোলট্রি মুরগির ডিমের দাম। সেই সঙ্গে দাম বেড়েছে অধিকাংশ সবজির। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে চাল-ডালসহ অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।

মঙ্গলবার (৫ মে) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা। পাইকারি বাজারে একশ ডিমের দাম পড়ছে ১১৫০ থেকে ১২০০ টাকা।

মুলাটোল আমতলা বাজারের ডিম বিক্রেতা ভুট্টো মিয়া বলেন, গতকাল পর্যন্ত একশ ডিমের দাম ১০৫০ টাকা ছিল। আজ হঠাৎ করে তা ১১৫০ থেকে ১২০০ টাকা হয়েছে। এ কারণে খুচরা বাজারে ডিমের হালি ৫০ টাকা করে বিক্রি করতে হচ্ছে।

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এমনটা হয়েছে বলে তিনি জানান।

এদিকে সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হলেও গাজর ৫০-৬০ টাকা থেকে লাফিয়ে ৮০-১০০ টাকা, কাঁকরোল ৬০-৭০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০ টাকা, ঝিংগা ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০-৭০ টাকা, চালকুমড়া প্রতিপিস (আকারভেদে) ৩৫-৪০ থেকে বেড়ে ৪০-৫০ টাকা, কাঁচকলার হালি ২৫-৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০-৪০ টাকা, দুধকুষি ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, সজনে ১০০-১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৮০-২০০ টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০-৮০ টাকা, লেবুর হালি ১৫-২০ টাকা, চিকন বেগুন আগের মতোই ৬০-৭০ টাকা, গোল বেগুন ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া পটল ৫০-৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, বরবটি ৫০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০-৭০ টাকা, করলা আগের মতোই ৫০-৬০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, কচুরলতি আগের মতোই ৭০-৮০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা ৮০-১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০-১৫০ টাকা, সব ধরনের শাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা, মিষ্টিকুমড়া গত সপ্তাহের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৬০-৭০ টাকা থেকে সামান্য কমে ৫০-৬০ টাকা, শুকনো মরিচ আগের মতোই ৩৫০-৪০০ টাকা এবং পেঁয়াজ গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে, দেশি আদা অপরিবর্তিত ১৫০-১৬০ টাকা, আমদানি করা আদা ১৩০-১৪০ টাকা, দেশি রসুন ৮০-১০০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ২২০-২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রংপুরে ডিমের হালি ৫০ টাকা, চড়া সবজির বাজার

খুচরা বাজারে কার্ডিনাল আলু গত সপ্তাহের মতোই ১৮-২০ টাকা, সাদা আলু ২০-২৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ২৫-৩০ টাকা, শিল আলু ৩০-৩৫ টাকা এবং ঝাউ আলু ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

স্টেশন বাজারের সবজি বিক্রেতা আরমান হোসেন বলেন, কয়েকদিন ধরে এই অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা বেড়েছে। তার প্রভাব পড়েছে সবজির ওপর।

মুরগি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ৩৩০-৩৫০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড ৩২০-৩৩০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার ৩৩০-৩৪০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯৫-২০০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৯০-২০০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৫০-১৬০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১০০-১০৫ টাকা, ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫০-৫৫ টাকা, খোলা আটা ৪০-৪৫ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৬০ টাকা, বিআর২৮- ৬৫-৭০ টাকা, বিআর২৯- ৬০-৬৫ টাকা, জিরাশাইল ৬০-৬৫ টাকা, মিনিকেট ৮৫-৯০ এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাশ ১৫০-২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জিতু কবীর/এমএন/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow