রণতরী কিনছে অস্ট্রেলিয়া, ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর
এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ দুই মিত্র অস্ট্রেলিয়া ও জাপান ৭ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করার অংশ হিসেবে দুই দেশের মধ্যে এ চুক্তি হয়েছে। এর আওতায় অস্ট্রেলিয়ান নৌবাহিনীর বহরে ১১টি যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এরমধ্যে তিনটির চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শনিবার মেলবোর্নে এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লস এবং জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কইজুমি শিনজিরো এই চুক্তিরঘোষণা দেন। এদিন এক বৈঠকে যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। ‘মোগামি মেমোরান্ডাম’ নামে পরিচিত এই চুক্তির মাধ্যমে প্রতিরক্ষা খাতে ‘ঘনিষ্ঠ শিল্প সহযোগিতাসহ’ সামরিক সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
আলজাজিরা জানিয়েছে, জাপানের মিতসুবিসি হেভি কারখানা নাগাসাকি প্রিফেকচারের দক্ষিণাঞ্চলে তিনটি স্টেলথ ফ্রিগেট নির্মাণ করবে। আর অস্ট্রেলিয়ার বাকি আটটি জাহাজ তৈরি করা হবে। জাপানে নির্মিত প্রথম যুদ্ধজাহাজটি ২০২৯ সালে সরবরাহ করা হবে এবং ২০৩০ সালে এটি আনুষ
এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ দুই মিত্র অস্ট্রেলিয়া ও জাপান ৭ বিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করার অংশ হিসেবে দুই দেশের মধ্যে এ চুক্তি হয়েছে। এর আওতায় অস্ট্রেলিয়ান নৌবাহিনীর বহরে ১১টি যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এরমধ্যে তিনটির চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শনিবার মেলবোর্নে এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লস এবং জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কইজুমি শিনজিরো এই চুক্তিরঘোষণা দেন। এদিন এক বৈঠকে যুদ্ধজাহাজ নির্মাণ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। ‘মোগামি মেমোরান্ডাম’ নামে পরিচিত এই চুক্তির মাধ্যমে প্রতিরক্ষা খাতে ‘ঘনিষ্ঠ শিল্প সহযোগিতাসহ’ সামরিক সম্পর্ক আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
আলজাজিরা জানিয়েছে, জাপানের মিতসুবিসি হেভি কারখানা নাগাসাকি প্রিফেকচারের দক্ষিণাঞ্চলে তিনটি স্টেলথ ফ্রিগেট নির্মাণ করবে। আর অস্ট্রেলিয়ার বাকি আটটি জাহাজ তৈরি করা হবে। জাপানে নির্মিত প্রথম যুদ্ধজাহাজটি ২০২৯ সালে সরবরাহ করা হবে এবং ২০৩০ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে সেবায় যুক্ত হবে।
মার্লস এক বিবৃতিতে বলেন, আমাদের নৌবহর গত কয়েক দশকের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই সাধারণ উদ্দেশ্যের ফ্রিগেটগুলো আমাদের সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ এবং উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শিনজিরো বলেন, ক্রমবর্ধমান জটিল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের জন্য প্রতিরক্ষা সমন্বয় আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
গত বছর অস্ট্রেলিয়া সরকার জানায়, পরবর্তী প্রজন্মের যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের জন্য মিতসুবিসি হেভি কারখানাকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এজন্য এ জন্য টোকিওভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জার্মানির থাইসেনক্রুপের মধ্যে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল।
অস্ট্রেলিয়া আগামী এক দশকে সামরিক খাতে রেকর্ড ৩০৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এটি দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক সংস্কারের অংশ। এর লক্ষ্য দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নৌ শক্তি বৃদ্ধি করা। এই পরিকল্পনার অধীনে ২০৩৩ সালের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যয় মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে এটি প্রায় ২ শতাংশ বরাদ্দ রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দুই ঘনিষ্ঠ মিত্র অস্ট্রেলিয়া ও জাপান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তন, বিশেষ করে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের কারণে সামরিক সহযোগিতা বাড়িয়েছে। টোকিও ও ক্যানবেরা উভয়ই যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন ‘কোয়াড’ নিরাপত্তা জোটের সদস্য।