রবি-বাংলালিংককে পরীক্ষামূলক ই-জিএসএম তরঙ্গ বরাদ্দ

দেশের নেটওয়ার্কের মান উন্নয়নে মোবাইল অপারেটর রবি ও বাংলালিংককে পরীক্ষামূলকভাবে ই-জিএসএম ব্র্যান্ডের তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষামূলক ব্যবহার শেষে দেশের সীমান্ত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ই-জিএসএম ব্যান্ডের কার্যকারিতা সংক্রান্ত প্রতিবেদন দেবে দুই অপারেটর। এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, দেশের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার উন্নয়নে গ্রামীণফোনকে ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর পরে এবার ‘ই-জিএসএম’ ব্যান্ডে পরীক্ষামূলকভাবে ৮.৪ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। বর্তমানে বিটিআরসির কাছে বরাদ্দযোগ্য ৮.৪ মেগাহার্টজ ‘ই-জিএসএম’ তরঙ্গ রয়েছে। এর মধ্যে ৩.৪ মেগাহার্টজ করে মোট ৬.৮ মেগাহার্টজ তরঙ্গ চেয়ে আবেদন করেছে রবি ও বাংলালিংক। তবে তার আগে পার্শ্ববর্তী দেশের ব্যবহৃত ৮৫০ মেগাহার্টজ ব্যান্ড এবং ‘ই-জিএসএম’ তরঙ্গের সম্ভাব্য প্রভাব ও বাধা যাচাই করতে চায় অপারেটর দুটি। এরই অংশ হিসেবে এক মাসের জন্য পরীক্ষামূলক এই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার সাহেদ আলম বলেন, গ্রাহকরা অনেক সম

রবি-বাংলালিংককে পরীক্ষামূলক ই-জিএসএম তরঙ্গ বরাদ্দ

দেশের নেটওয়ার্কের মান উন্নয়নে মোবাইল অপারেটর রবি ও বাংলালিংককে পরীক্ষামূলকভাবে ই-জিএসএম ব্র্যান্ডের তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষামূলক ব্যবহার শেষে দেশের সীমান্ত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ই-জিএসএম ব্যান্ডের কার্যকারিতা সংক্রান্ত প্রতিবেদন দেবে দুই অপারেটর। এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, দেশের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার উন্নয়নে গ্রামীণফোনকে ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর পরে এবার ‘ই-জিএসএম’ ব্যান্ডে পরীক্ষামূলকভাবে ৮.৪ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

বর্তমানে বিটিআরসির কাছে বরাদ্দযোগ্য ৮.৪ মেগাহার্টজ ‘ই-জিএসএম’ তরঙ্গ রয়েছে। এর মধ্যে ৩.৪ মেগাহার্টজ করে মোট ৬.৮ মেগাহার্টজ তরঙ্গ চেয়ে আবেদন করেছে রবি ও বাংলালিংক। তবে তার আগে পার্শ্ববর্তী দেশের ব্যবহৃত ৮৫০ মেগাহার্টজ ব্যান্ড এবং ‘ই-জিএসএম’ তরঙ্গের সম্ভাব্য প্রভাব ও বাধা যাচাই করতে চায় অপারেটর দুটি। এরই অংশ হিসেবে এক মাসের জন্য পরীক্ষামূলক এই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার সাহেদ আলম বলেন, গ্রাহকরা অনেক সময় ঘরে বসে ডাটা নেটওয়ার্কটা ঠিক মতো পান না। এই জায়গায় অনেকটা অ্যাড্রেস করতে পারবো। মাইনর ‘ই-জিএসএম’- এ আমরা তৈরি আছি। কারণ আমাদের ইকুইপমেন্ট আছে। সীমান্ত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ‘ই-জিএসএম’ ব্যান্ডের কার্যকারিতা নিয়ে প্রতিবেদন দেবে দুই অপারেটর। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, ‘পরীক্ষা করতে বিটিআরসি আমাদেরকে বিবেচনা করেছে। এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব, কীভাবে সেটা আমরা কিনতে পারি।’

ইএইচটি/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow