রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংকট: ভর্তি বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান

রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান প্রশাসনিক জটিলতা ও অচলাবস্থার কারণে ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান হক রীনা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে একাডেমিক ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়টি বর্তমানে একটি গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের কিছু বিপথগামী সদস্য প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চ্যান্সেলর, রেজিস্ট্রারসহ বিভিন্ন বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপকদের জোরপূর্বক অপসারণ করেন। এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া, কিছু অভিজ্ঞ শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত ছাড়াই বেআইনিভাবে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগও তোলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার অবহিত করলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে কিছু অবৈধ পক্ষ প্রতারণামূলক

রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংকট: ভর্তি বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান

রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান প্রশাসনিক জটিলতা ও অচলাবস্থার কারণে ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান হক রীনা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে একাডেমিক ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়টি বর্তমানে একটি গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের কিছু বিপথগামী সদস্য প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চ্যান্সেলর, রেজিস্ট্রারসহ বিভিন্ন বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপকদের জোরপূর্বক অপসারণ করেন। এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

এছাড়া, কিছু অভিজ্ঞ শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত ছাড়াই বেআইনিভাবে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগও তোলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার অবহিত করলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

বর্তমানে কিছু অবৈধ পক্ষ প্রতারণামূলক ও ভুয়া ট্রাস্ট দলিল ব্যবহার করে মূল ট্রাস্টির নাম ভাঙিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি ও প্রতারণামূলক।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত ৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ৩৫তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত বা নিরপেক্ষ ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাদেরও ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যক্তিগত দায়ভার না নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow