রাউজানে জনসম্মুখে বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রামের রাউজানে একটি বাজারের মুদি দোকানে বসে থাকা অবস্থায় প্রকাশ্য গুলি চালিয়ে আবদুল মজিদ (৫৬) নামের বিএনপির এক কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলি মিয়ার হাটে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত আবদুল মজিদ পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। পারিবারিক সূত্র বলেছে, নিহত আবদুল মজিদের দুই ছেলে রয়েছে। বড় ছেলে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন আর ছোট ছেলে প্রবাসে আছেন। পেশায় মজিদ ঘটক ছিলেন। স্থানীয় সূত্র বলেছে, মজিদ আজ সন্ধ্যায় ইফতারের পর অলিমিয়াহাটের মফিজ সওদাগরের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে মজিদ দোকান থেকে বেরিয়ে সড়কে ২০ থেকে ৩০ হাত সামনে যান। হঠাৎ আশপাশ থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে মুহূর্তেই সটকে পড়ে। এতে তার কপাল, বুক ও পেটে কয়েকটি গুলি লাগে। এসময় পুরো বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে তার বন্ধুরা মিলে মজিদকে উদ্ধার করে রাউজান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে কারা গুলি করেছে, তা জানা যায়নি। নিহত মজিদের স্ত্রী শাহানাজ বেগম বলেন, ‘ইফতারে

রাউজানে জনসম্মুখে বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রামের রাউজানে একটি বাজারের মুদি দোকানে বসে থাকা অবস্থায় প্রকাশ্য গুলি চালিয়ে আবদুল মজিদ (৫৬) নামের বিএনপির এক কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে।

সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলি মিয়ার হাটে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহত আবদুল মজিদ পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

পারিবারিক সূত্র বলেছে, নিহত আবদুল মজিদের দুই ছেলে রয়েছে। বড় ছেলে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন আর ছোট ছেলে প্রবাসে আছেন। পেশায় মজিদ ঘটক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র বলেছে, মজিদ আজ সন্ধ্যায় ইফতারের পর অলিমিয়াহাটের মফিজ সওদাগরের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে মজিদ দোকান থেকে বেরিয়ে সড়কে ২০ থেকে ৩০ হাত সামনে যান। হঠাৎ আশপাশ থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে মুহূর্তেই সটকে পড়ে। এতে তার কপাল, বুক ও পেটে কয়েকটি গুলি লাগে। এসময় পুরো বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে তার বন্ধুরা মিলে মজিদকে উদ্ধার করে রাউজান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে কারা গুলি করেছে, তা জানা যায়নি।

নিহত মজিদের স্ত্রী শাহানাজ বেগম বলেন, ‘ইফতারের পর বাসা থেকে বের হয়েছিল। পরে শুনতে পাই, আমার স্বামীকে তিনটা গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। আমি হাসপাতালে এসে দেখি, তিনি আর বেঁচে নেই।’

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, পূর্ব গুজরায় মোহাম্মদ মজিদ নামের একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কারা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে আপাতত বলা যাচ্ছে না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow