রাউজানে যুবদলের সাবেক নেতাকে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় যুবদলের এক সাবেক নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নে নিজ বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম জানে আলম সিকদার (৩৪)। তিনি রাউজান উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতের খাবারের আগে জানে আলম বাড়ির গেটসংলগ্ন উঠানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে করে তিন যুবক সেখানে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মোটরসাইকেলের পেছনে বসা একজন খুব কাছ থেকে জানে আলমের বুকে পরপর দুটি গুলি ছোঁড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হামলার পরপরই দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন জানে আলমকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। রাউজান উপজেলা যুবদলের একাধিক নেতা জানান, স্থানীয় রাজনীতির কিছু ঘটনার পর জানে আলম বেশ কিছুদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন না। তবে এর আগে তিনি উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানা

রাউজানে যুবদলের সাবেক নেতাকে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় যুবদলের এক সাবেক নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নে নিজ বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম জানে আলম সিকদার (৩৪)। তিনি রাউজান উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতের খাবারের আগে জানে আলম বাড়ির গেটসংলগ্ন উঠানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে করে তিন যুবক সেখানে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মোটরসাইকেলের পেছনে বসা একজন খুব কাছ থেকে জানে আলমের বুকে পরপর দুটি গুলি ছোঁড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হামলার পরপরই দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন জানে আলমকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

রাউজান উপজেলা যুবদলের একাধিক নেতা জানান, স্থানীয় রাজনীতির কিছু ঘটনার পর জানে আলম বেশ কিছুদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন না। তবে এর আগে তিনি উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, জানে আলমের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না। কী কারণে তাকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হলো, তা তারা বুঝতে পারছেন না।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, মোটরসাইকেলে আসা কিছু দুর্বৃত্ত গুলি করে পালিয়ে যায়। হত্যাকাণ্ডে জড়িত কোনো অপরাধীকে এখনো ধরা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

এমআরএএইচ/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow