রাউজানে ৫২০ পরিবারের মাঝে শাহ এমদাদীয়ার ইফতার সামগ্রী বিতরণ

চট্টগ্রামের রাউজানে ৫২০ জন অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছে গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন শাহ সুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আনজুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) শাহনগর, সাপলঙ্গা, ছত্রপাড়া ও দলিলাবাদ দায়রা শাখার যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।  পুরো কার্যক্রমটি সাজ্জাদানশীন সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারীর পৃষ্ঠপোষকতা এবং নায়েব সাজ্জাদানশীন ও মাইজভাণ্ডারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। মুহাম্মদ শফিকুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) চট্টগ্রাম জেলা কার্যকরী সংসদের সাধারণ সম্পাদক শেখ শাকিল মাহমুদ। এতে প্রধান আলোচক ছিলেন মাওলানা মুহাম্মদ সালাহউদ্দিন। মুহাম্মদ নাছির উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাউজান উপজেলার মুহাম্মদ ইউনুছ মিয়া, মুহাম্মদ শরীফ কোম্পানী (শফি), মুহাম্মদ মোমিন আকবর কানন, মুহাম্মদ রমজান আলী ও মাওলানা মুহাম্মদ হাসান আলী। এছাড়াও ফটিকছড়ি থেকে মুহা

রাউজানে ৫২০ পরিবারের মাঝে শাহ এমদাদীয়ার ইফতার সামগ্রী বিতরণ

চট্টগ্রামের রাউজানে ৫২০ জন অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেছে গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন শাহ সুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আনজুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) শাহনগর, সাপলঙ্গা, ছত্রপাড়া ও দলিলাবাদ দায়রা শাখার যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। 

পুরো কার্যক্রমটি সাজ্জাদানশীন সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারীর পৃষ্ঠপোষকতা এবং নায়েব সাজ্জাদানশীন ও মাইজভাণ্ডারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।

মুহাম্মদ শফিকুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) চট্টগ্রাম জেলা কার্যকরী সংসদের সাধারণ সম্পাদক শেখ শাকিল মাহমুদ। এতে প্রধান আলোচক ছিলেন মাওলানা মুহাম্মদ সালাহউদ্দিন।

মুহাম্মদ নাছির উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাউজান উপজেলার মুহাম্মদ ইউনুছ মিয়া, মুহাম্মদ শরীফ কোম্পানী (শফি), মুহাম্মদ মোমিন আকবর কানন, মুহাম্মদ রমজান আলী ও মাওলানা মুহাম্মদ হাসান আলী। এছাড়াও ফটিকছড়ি থেকে মুহাম্মদ রবিউল হোসেন সুমন, হাটহাজারী থেকে মুহাম্মদ নুরুল আনোয়ার চৌধুরী ও মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান এবং চন্দনাইশ থেকে মুহাম্মদ রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যে মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, মুহাম্মদ মিয়া, মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন শওকত ও সৈয়দ হায়দার আলী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ শাকিল মাহমুদ বলেন, মানুষের সেবা করাই হলো স্রষ্টার সেবা গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারীর এই মহান আদর্শকে ধারণ করেই আমাদের এই পথচলা। আমাদের মুর্শিদ শিখিয়েছেন, যেখানে মানুষের দুঃখ আছে, সেখানেই ভালোবাসা নিয়ে দাঁড়াতে হবে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আর্তমানবতার পাশে দাঁড়ানোই হলো প্রকৃত মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকা।

অনুষ্ঠান শেষে ৫২০টি পরিবারের হাতে ইফতার সামগ্রীর প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়। ইফতার সামগ্রী বিতরণ শেষে মিলাদ ও মোনাজাত পর সকলের অংশগ্রহণে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাতে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারীর উসিলায় দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow