রাজধানীতে তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণ-হত্যা, ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রাজধানীর আদাবরে এক তরুণীকে কয়েকদিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে এক ফটোগ্রাফারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলাটি আমলে নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখাকে (ডিবি) তদন্ত করে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫-এর বিচারক মো. মনিরুজ্জামানের আদালতে মামলাটি করেন নিহত তরুণীর বড় বোন। আদালত বাদীর জবানবন্দি নেওয়ার পর মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব ডিবিকে দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার আসামিরা হলেন ফটোগ্রাফার নামিম আশরাফ মনি, তার বাবা আশরাফউদ্দিন ও মা শাহনাজ বেগম। আরও পড়ুন যুবদলকর্মী ইউসুফ হত্যা: ৪ আসামির স্বীকারোক্তি, একজনের অস্বীকৃতি মামলার অভিযোগে বলা হয়, ভুক্তভোগী তরুণী পেশায় একজন মেকআপ আর্টিস্ট ছিলেন। ২০২৪ সালে এক শুটিংয়ের সময় ফটোগ্রাফার নামিমের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে বিয়ের আশ্বাস দিলেও নামিম বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখেন, যা নিয়ে দুই পরিবারের

রাজধানীতে তরুণীকে আটকে রেখে ধর্ষণ-হত্যা, ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রাজধানীর আদাবরে এক তরুণীকে কয়েকদিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে এক ফটোগ্রাফারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মামলাটি আমলে নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখাকে (ডিবি) তদন্ত করে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫-এর বিচারক মো. মনিরুজ্জামানের আদালতে মামলাটি করেন নিহত তরুণীর বড় বোন। আদালত বাদীর জবানবন্দি নেওয়ার পর মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব ডিবিকে দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন ফটোগ্রাফার নামিম আশরাফ মনি, তার বাবা আশরাফউদ্দিন ও মা শাহনাজ বেগম।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ভুক্তভোগী তরুণী পেশায় একজন মেকআপ আর্টিস্ট ছিলেন। ২০২৪ সালে এক শুটিংয়ের সময় ফটোগ্রাফার নামিমের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে বিয়ের আশ্বাস দিলেও নামিম বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখেন, যা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার বিরোধের সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১০ জুন রাতে নামিম ওই তরুণীকে আদাবরের শেখেরটেক ১২ নম্বর রোডে অবস্থিত তার স্টুডিও-ফ্ল্যাটে ডেকে নেন। সেখানে নেওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের কাছে বান্ধবীর বাসায় অবস্থান করছেন বলে জানাতে ভুক্তভোগীকে বাধ্য করা হয়।

বাদীর দাবি, ১০ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ওই স্টুডিওতে ভুক্তভোগীকে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। পরে ১৪ জুন তাকে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর নামিম এটিকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করে নিজের দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন বলেও মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, পুলিশের সুরতহালে ভুক্তভোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন এবং ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

এমডিএএ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow