রাজনীতি নিয়ে মুখ খুললেন মিমি চক্রবর্তী

টালিউডের গ্ল্যামার আর রাজনীতির মাঠ—দুই জায়গাতেই দাপট দেখিয়েছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। ২০১৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছিলেন। কিন্তু ভক্তদের অবাক করে দিয়ে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে আচমকাই সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। কেন এত বড় সিদ্ধান্ত? এতদিন পর এক সাক্ষাৎকারে সেই কারণ স্পষ্ট করলেন মিমি। জানালেন, রাজনীতি ছেড়ে তিনি এখন অনেক স্বস্তিতে আছেন। অভিনেত্রীর মতে, রাজনীতি এবং অভিনয়—দুটো একসঙ্গে সামলানো তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ছিল। তিনি বলেন, ‘রাজনীতি মানেই বিপুল সময় দিতে হয়। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে নিয়মিত কাজ করার পর এতটা সময় আর হাতে থাকে না। আমাকে শুধু কাজ নয়, আমার বাড়ি, বাবা-মা—সবকিছুর দায়িত্ব সামলাতে হয়।’ রাজনীতিতে সশরীরে বিভিন্ন জায়গায় উপস্থিত থাকার যে বাধ্যবাধকতা, তা তার ব্যক্তিগত জীবনের দায়িত্ব পালনে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। তাই জীবনের অগ্রাধিকার বেছে নিতেই তিনি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তারকাদের জীবন নিয়ে সাধারণ মানুষের ধারণা যে সবসময় ঠিক নয়, তাও পরিষ্কার করেছেন মিমি। অনেকের ধারণা, তারকাদের সব কাজ করে দেওয়ার জন্য লোক থাকে। এই ভ

রাজনীতি নিয়ে মুখ খুললেন মিমি চক্রবর্তী
টালিউডের গ্ল্যামার আর রাজনীতির মাঠ—দুই জায়গাতেই দাপট দেখিয়েছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। ২০১৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছিলেন। কিন্তু ভক্তদের অবাক করে দিয়ে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে আচমকাই সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। কেন এত বড় সিদ্ধান্ত? এতদিন পর এক সাক্ষাৎকারে সেই কারণ স্পষ্ট করলেন মিমি। জানালেন, রাজনীতি ছেড়ে তিনি এখন অনেক স্বস্তিতে আছেন। অভিনেত্রীর মতে, রাজনীতি এবং অভিনয়—দুটো একসঙ্গে সামলানো তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ছিল। তিনি বলেন, ‘রাজনীতি মানেই বিপুল সময় দিতে হয়। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে নিয়মিত কাজ করার পর এতটা সময় আর হাতে থাকে না। আমাকে শুধু কাজ নয়, আমার বাড়ি, বাবা-মা—সবকিছুর দায়িত্ব সামলাতে হয়।’ রাজনীতিতে সশরীরে বিভিন্ন জায়গায় উপস্থিত থাকার যে বাধ্যবাধকতা, তা তার ব্যক্তিগত জীবনের দায়িত্ব পালনে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। তাই জীবনের অগ্রাধিকার বেছে নিতেই তিনি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তারকাদের জীবন নিয়ে সাধারণ মানুষের ধারণা যে সবসময় ঠিক নয়, তাও পরিষ্কার করেছেন মিমি। অনেকের ধারণা, তারকাদের সব কাজ করে দেওয়ার জন্য লোক থাকে। এই ভুল ভাঙিয়ে মিমি বলেন, ‘অনেকে ভাবেন আমি কিছুই করি না, সব কাজ অন্যরা করে দেয়। বাস্তবতা একদম আলাদা। নিজের কাজ নিজেকেই করতে হয়। এমনকি বাবা যখন আমার কাছে থাকেন, তখন তাঁর ওষুধ, চিকিৎসা—সবকিছুর দায়িত্ব আমারই।’ জীবনের সীমিত সময় নিয়ে গভীর উপলব্ধির কথা শুনিয়ে তিনি বলেন, ‘জীবনে সময় খুব কম, আর জীবন একটাই। তাই তুমি কী করতে চাও, সেই সিদ্ধান্ত তোমাকেই নিতে হবে।’ রাজনীতি থেকে সরে এসে এখন তিনি অভিনয়েই পূর্ণ মনোযোগ দিয়েছেন। যার প্রমাণ মিলবে খুব শীঘ্রই। আগামী ২৩ জানুয়ারি বড় পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে উইন্ডোজ প্রযোজিত প্রথম হরর-কমেডি ছবি ‘ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল’। অরিত্র মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবিতে একঝাঁক তারকার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে মিমিকে। রাজনীতিতে না থাকলেও পর্দার মিমি যে স্বমহিমায় ফিরছেন, তা বলাই বাহুল্য।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow