রাজনীতিতে প্রত্যক্ষভাবে না থাকলেও পরোক্ষ ভূমিকা রেখেছেন জুবাইদা রহমান

বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, রাজনীতিতে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত না থাকলেও ডা. জুবাইদা রহমান সবসময় পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষত বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি, করোনাকালে চিকিৎসকদের কার্যক্রম ও মানবিক উদ্যোগে তার সম্পৃক্ততা ছিল। বুধবার (২৪ জুন) ঢাকা মেডিকেল কলেজের কৃতি শিক্ষার্থী ও বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ডা. জুবাইদা রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৪৩ ব্যাচের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি কলেজের ছাত্রীনিবাসে অবস্থান করতেন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে তার দীর্ঘদিনের পদচারণা রয়েছে। পরবর্তীতে তিনি এমডি কার্ডিওলজিতে উচ্চশিক্ষার জন্য চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বলেন, ওয়ান-ইলেভেনের সময় জিয়া পরিবারের প্রতি যে অন্যায়-অত্যাচার হয়েছিল, তার শিকার ডা. জুবাইদা রহমানও হন। সেসময় তিনি চাকরিতে ছিলেন। পরে তাকে বিদেশে যেতে হলেও তিনি তার পেশাগত ও মেধাগত বিকাশ অব্যাহত রাখেন। যুক্তরাজ্যের ইমপেরিয়াল কলেজ থেকে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে কার্ডিওলজিতে নিজের মেধ

রাজনীতিতে প্রত্যক্ষভাবে না থাকলেও পরোক্ষ ভূমিকা রেখেছেন জুবাইদা রহমান

বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, রাজনীতিতে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত না থাকলেও ডা. জুবাইদা রহমান সবসময় পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষত বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি, করোনাকালে চিকিৎসকদের কার্যক্রম ও মানবিক উদ্যোগে তার সম্পৃক্ততা ছিল।

বুধবার (২৪ জুন) ঢাকা মেডিকেল কলেজের কৃতি শিক্ষার্থী ও বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ডা. জুবাইদা রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৪৩ ব্যাচের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি কলেজের ছাত্রীনিবাসে অবস্থান করতেন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে তার দীর্ঘদিনের পদচারণা রয়েছে। পরবর্তীতে তিনি এমডি কার্ডিওলজিতে উচ্চশিক্ষার জন্য চেষ্টা করেছিলেন।

তিনি বলেন, ওয়ান-ইলেভেনের সময় জিয়া পরিবারের প্রতি যে অন্যায়-অত্যাচার হয়েছিল, তার শিকার ডা. জুবাইদা রহমানও হন। সেসময় তিনি চাকরিতে ছিলেন। পরে তাকে বিদেশে যেতে হলেও তিনি তার পেশাগত ও মেধাগত বিকাশ অব্যাহত রাখেন। যুক্তরাজ্যের ইমপেরিয়াল কলেজ থেকে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে কার্ডিওলজিতে নিজের মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি।

ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ১৭ বছরের দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনেও ডা. জুবাইদা রহমান পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছেন। ফিলিস্তিন দূতাবাসে বিএনপির পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদানের কর্মসূচির নেপথ্যেও তার ভূমিকা ছিল। বিভিন্ন কর্মসূচির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে তিনি পরামর্শ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, করোনাকালে বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের কার্যক্রম পরিচালনা এবং মেডিকেল টিম গঠনের ক্ষেত্রেও ডা. জুবাইদা রহমানের ভূমিকা ছিল। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রমেও তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন।

বক্তব্যে ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, বৃক্ষরোপণের মূল উদ্দেশ্য সবুজায়ন। চিকিৎসক ও চিকিৎসাসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যেন এই সবুজায়নের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করতে পারেন এবং রোগীদের সেবায় মানবিকতার চর্চা করতে পারেন, সেটিও এ কর্মসূচির অন্যতম প্রতিপাদ্য।

দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি দেশ গঠনের চলমান গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় স্বাস্থ্যখাতে ডা. জুবাইদা রহমানের ভূমিকা রাখার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, নাক-কান-গলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, অর্থোপেডিক্স বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, বিভিন্ন সময়ের ছাত্রনেতা ও চিকিৎসক, নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন, কর্মচারী ঐক্য পরিষদ ও এমট্যাবের নেতারা।

কেএইচ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow