রাজবাড়ীতে সুলভ মূল্যে ভ্রাম্যমাণ বিপণন কার্যক্রমের উদ্বোধন
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে রাজবাড়ীতে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ বিপণন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা ডা. প্রকাশ রঞ্জন বিশ্বাসসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শুক্রবার ও শনিবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ বিক্রয় কার্যক্রম চলবে এবং ২৬ রমজান পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকবে। এ কার্যক্রমের আওতায়— প্রতিদিন ১০০ কেজি গরুর মাংস ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হবে। একজন সর্বোচ্চ ১ কেজি মাংস ক্রয় করতে পারবেন। প্রতি হালি ডিম বিক্রি হবে ৩০ টাকায়, একজন সর্বোচ্চ ২ হালি ক্রয় করতে পারবেন। দুধ বিক্রি হবে প্রতি লিটার ৭০ টাকায়, একজন সর্বোচ্চ ১ লিটার দুধ ক্রয় করতে পারবেন। জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার বলেন, “রমজান মাসে সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায্য মূল্যে প্রাণিজ প্রোটিন নিশ্চিত করতে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। স্থানীয় ব্য
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে রাজবাড়ীতে স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে ভ্রাম্যমাণ বিপণন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা ডা. প্রকাশ রঞ্জন বিশ্বাসসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শুক্রবার ও শনিবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এ বিক্রয় কার্যক্রম চলবে এবং ২৬ রমজান পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকবে।
এ কার্যক্রমের আওতায়—
প্রতিদিন ১০০ কেজি গরুর মাংস ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হবে। একজন সর্বোচ্চ ১ কেজি মাংস ক্রয় করতে পারবেন।
প্রতি হালি ডিম বিক্রি হবে ৩০ টাকায়, একজন সর্বোচ্চ ২ হালি ক্রয় করতে পারবেন।
দুধ বিক্রি হবে প্রতি লিটার ৭০ টাকায়, একজন সর্বোচ্চ ১ লিটার দুধ ক্রয় করতে পারবেন।
জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার বলেন, “রমজান মাসে সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায্য মূল্যে প্রাণিজ প্রোটিন নিশ্চিত করতে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্যদের সহযোগিতায় ভ্রাম্যমাণ বিপণন চালু করা হয়েছে। এতে মানুষ কম দামে ভালো মানের পণ্য কিনতে পারবে।”
তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ কার্যক্রম ২৬ রমজান পর্যন্ত নিয়মিতভাবে চলবে।
What's Your Reaction?