রাজশাহীর ফুটপাতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা
দুয়ারে কড়া নাড়ছে মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। উৎসবকে ঘিরে রাজশাহীতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। তবে শোরুম বা বড় মার্কেটের তুলনায় এবার ফুটপাতের দোকানগুলোতেই বেশি ভিড় দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের। স্বল্প বাজেট ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে ফুটপাতের দোকানগুলো হয়ে উঠেছে ভরসার জায়গা। সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যার পর থেকে রাজশাহীর সাহেববাজার এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, ফুটপাতজুড়ে সারি সারি অস্থায়ী দোকানে বিক্রি হচ্ছে শিশু, নারী ও পুরুষদের পোশাক, জুতা ও বিভিন্ন ঈদসামগ্রী। দোকানিদের হাঁকডাক আর ক্রেতাদের ভিড়ে পুরো ফুটপাত এলাকা ছিল প্রাণচঞ্চল। সরেজমিনে দেখা যায়, তুলনামূলক কম দামে ভালো মানের পোশাক পাওয়ায় অনেকেই ফুটপাত থেকেই ঈদের কেনাকাটা করছেন। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ফুটপাত থেকে এক ছেলে ও এক মেয়ের জন্য জামা কিনছিলেন নগরীর রেলগেইট এলাকার বাসিন্দা ফাতেমা বেগম। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, শোরুমে গেলে এক সেট কাপড় কিনতেই অনেক টাকা লাগে। ফুটপাতে তুলনামূলক কম দামে বাচ্চাদের জন্য সুন্দর জামা পাওয়া যাচ্ছে। তাই এখান থেকেই কেনাকাটা করছি। কাটাখালি থেকে সাহেববাজারে কেনাকাটা কর
দুয়ারে কড়া নাড়ছে মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। উৎসবকে ঘিরে রাজশাহীতে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। তবে শোরুম বা বড় মার্কেটের তুলনায় এবার ফুটপাতের দোকানগুলোতেই বেশি ভিড় দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের। স্বল্প বাজেট ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে ফুটপাতের দোকানগুলো হয়ে উঠেছে ভরসার জায়গা।
সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যার পর থেকে রাজশাহীর সাহেববাজার এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, ফুটপাতজুড়ে সারি সারি অস্থায়ী দোকানে বিক্রি হচ্ছে শিশু, নারী ও পুরুষদের পোশাক, জুতা ও বিভিন্ন ঈদসামগ্রী। দোকানিদের হাঁকডাক আর ক্রেতাদের ভিড়ে পুরো ফুটপাত এলাকা ছিল প্রাণচঞ্চল।
সরেজমিনে দেখা যায়, তুলনামূলক কম দামে ভালো মানের পোশাক পাওয়ায় অনেকেই ফুটপাত থেকেই ঈদের কেনাকাটা করছেন। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
ফুটপাত থেকে এক ছেলে ও এক মেয়ের জন্য জামা কিনছিলেন নগরীর রেলগেইট এলাকার বাসিন্দা ফাতেমা বেগম। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, শোরুমে গেলে এক সেট কাপড় কিনতেই অনেক টাকা লাগে। ফুটপাতে তুলনামূলক কম দামে বাচ্চাদের জন্য সুন্দর জামা পাওয়া যাচ্ছে। তাই এখান থেকেই কেনাকাটা করছি।
কাটাখালি থেকে সাহেববাজারে কেনাকাটা করতে আসা হিরন মিয়া বলেন, বর্তমান বাজারে সবকিছুর দাম বেশি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে মার্কেটে কেনাকাটা করা কষ্টকর হয়ে যায়। ফুটপাতে কম দামে প্রয়োজন অনুযায়ী কাপড় পাওয়া যায়, তাই এখানে এসেছি।
ঈদকে সামনে রেখে বেচাকেনা ভালো হচ্ছে বলে জানান সাহেববাজারের কাপড় ব্যবসায়ী মো. সাজেদুর রহমান।
তিনি বলেন, ঈদের যত দিন ঘনিয়ে আসছে, ক্রেতার চাপও বাড়ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর অনেক ভিড় হয়। কম দামে কাপড় বিক্রি করলেও বিক্রি বেশি হওয়ায় লাভও মোটামুটি হচ্ছে।
রাজশাহী কোর্ট এলাকার ফুটপাতে শিশুদের পোশাক বিক্রি করছেন সাব্বির রহমান।
তিনি বলেন, বাচ্চাদের পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ২০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যেই ভালো মানের ড্রেস বিক্রি করছি। নিম্ন আয়ের মানুষ বেশি আসছেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের আগের সপ্তাহে বেচাকেনা আরও বাড়বে বলে তারা আশা করছেন। অন্যদিকে ক্রেতারাও বলছেন, সাধ্যের মধ্যে কেনাকাটার সুযোগ থাকায় ফুটপাতের দোকানগুলোই এখন তাদের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠেছে।
মনির হোসেন মাহিন/এনএইচআর/জেআইএম
What's Your Reaction?