রাজু ভাস্কর্যে ৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা

জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, গণভোটের রায় কার্যকর এবং গুম প্রতিরোধসহ বিভিন্ন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমরণ অনশনে বসা তিন শিক্ষার্থী ৭২ ঘণ্টা পর তাদের কর্মসূচি স্থগিত করেছেন।  শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে ও তাদের ডাবের পানি পান করানোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অনশন ভঙ্গ করেন। শনিবার বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশনরত শিক্ষার্থীদের কাছে ছুটে আসেন জুলাই আন্দোলনে শহীদ ফারহান ফাইয়াজ, সাইদুল ইসলাম, জাবের ও সৈকতের বাবা এবং অন্যান্য শহীদ পরিবারের সদস্যরা। এ সময় শহীদ পরিবারের স্বজনরা শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং গণভোট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়ে শিক্ষার্থীদের অনশন থেকে সরে আসার অনুরোধ জানান। শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা তাদের অনশন কর্মসূচি স্থগিত করেন। পরে অনশনরতদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন ও গুম প্রতিরোধে জ

রাজু ভাস্কর্যে ৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা
জুলাই সনদের বাস্তবায়ন, গণভোটের রায় কার্যকর এবং গুম প্রতিরোধসহ বিভিন্ন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমরণ অনশনে বসা তিন শিক্ষার্থী ৭২ ঘণ্টা পর তাদের কর্মসূচি স্থগিত করেছেন।  শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে ও তাদের ডাবের পানি পান করানোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অনশন ভঙ্গ করেন। শনিবার বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনশনরত শিক্ষার্থীদের কাছে ছুটে আসেন জুলাই আন্দোলনে শহীদ ফারহান ফাইয়াজ, সাইদুল ইসলাম, জাবের ও সৈকতের বাবা এবং অন্যান্য শহীদ পরিবারের সদস্যরা। এ সময় শহীদ পরিবারের স্বজনরা শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং গণভোট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়ে শিক্ষার্থীদের অনশন থেকে সরে আসার অনুরোধ জানান। শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা তাদের অনশন কর্মসূচি স্থগিত করেন। পরে অনশনরতদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন ও গুম প্রতিরোধে জরুরি অধ্যাদেশ পাসের দাবিতে প্রথম অনশনে বসেন একজন শিক্ষার্থী। পর্যায়ক্রমে আরও দুইজন শিক্ষার্থী এই কর্মসূচিতে যোগ দেন। অনশনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাদিক মুনওয়ার মুনেম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ মোস্তাফিজ। দীর্ঘ ৭২ ঘণ্টা পানি ও খাদ্য গ্রহণ না করায় শিক্ষার্থীরা শারীরিকভাবে বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছেন। অনশন ভঙ্গের সময় সেখানে উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রনেতাদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow