রাতে টর্চ জ্বালিয়ে সংঘর্ষে জড়াল দুই গোষ্ঠী, নারী নিহত
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ৷ এতে আখলিমা বেগম (৪৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক নারী ও পুরুষ আহত হন। এছাড়া ভাঙচুর করা হয়েছে ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
বুধবার ( ২৫ মার্চ) রাতে বানিয়াচং উপজেলার ৮ নম্বর খাগাওড়া ইউনিয়নের গুণই গ্রামে এ সংঘর্ষ হয়।
নিহত আখলিমা বেগম একই গ্রামের মৃত জবান উল্লার স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, গুণই গ্রামের সালেহ আহমদ ও কামরুল ইসলাম চৌধুরীর গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে বুধবার রাত ৮টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে আখলিমা বেগম নামে ওই নারীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
অন্যান্য আহতদের উদ্ধার করে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে, সংঘর্ষের সময় গুণই সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায়
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ৷ এতে আখলিমা বেগম (৪৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক নারী ও পুরুষ আহত হন। এছাড়া ভাঙচুর করা হয়েছে ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
বুধবার ( ২৫ মার্চ) রাতে বানিয়াচং উপজেলার ৮ নম্বর খাগাওড়া ইউনিয়নের গুণই গ্রামে এ সংঘর্ষ হয়।
নিহত আখলিমা বেগম একই গ্রামের মৃত জবান উল্লার স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, গুণই গ্রামের সালেহ আহমদ ও কামরুল ইসলাম চৌধুরীর গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে বুধবার রাত ৮টার দিকে উভয় পক্ষের লোকজন টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে আখলিমা বেগম নামে ওই নারীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
অন্যান্য আহতদের উদ্ধার করে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে, সংঘর্ষের সময় গুণই সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় থাকা ৩টি দোকান ভাঙচুর করা হয় এবং একটি বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বানিয়াচং থানার ওসি শরীফ আহমেদ বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এরই জেরে এ সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।