রাতে নাক ডাকা বন্ধ করার ৭ সহজ উপায়

5 hours ago 5

কল্পনা করুন—ঘুমচোখে আপনি স্বপ্নের ভুবনে ভেসে যাচ্ছেন, হঠাৎ করেই নাক ডাকার আওয়াজ দিয়ে সেই স্বপ্ন ভাঙে! দুঃখ নেই, কারণ নাক ডাকা কোনো স্থায়ী সমস্যা নয়। আসুন, আজ সহজ বাংলায় জেনে-বুঝে নিই—কেন এটা হয়, আর কী কী সরল ও বাস্তবপন্থি উপায়ে এটি কমানো যায়।

আরও পড়ুন : রাতে খাওয়ার পরও ক্ষুধা লাগার কারণ জেনে নিন 

চলুন প্রথমেই জেনে নিই মানুষ কেন নাক ডাকে!

ঘুমের সময় গলায় বা নাকের পেছনে থাকা নরম পেশি ও টিস্যু ঢিলে হয়ে পড়ে, যা শ্বাসনালির পথ কমিয়ে দেয়— তাতে বাতাস যাত্রাপথে ঝাঁকুনি খেয়ে নড়তে থাকে, আর সেই শব্দই নাক ডাকা। 

কিছু কারণ-

- অতিরিক্ত ওজন থাকলে, গলার পেছনের চর্বি শ্বাসনালির ফাঁকা জায়গা সংকীর্ণ করে দেয়।

- মদপান ও ধূমপান গলার পেশিগুলোকে আলগা করে দেয় অথবা গলার আস্তরণের অবস্থা খারাপ করে—ফলে শ্বাসনালি ভেতর থেকে সংকুচিত হয়।

- পলিপ, সাইনাস বা অ্যালার্জি—নাকের ভেতর রূপান্তরণ ঘটিয়ে শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

- ঘুমের অবস্থান—পিঠের ওপর শোলে জিহ্বা ফিরে গলার পেছনে পড়ে, বাধা সৃষ্টি করে।

আরও পড়ুন : ঘুমাতে যাওয়ার কত আগে রাতের খাবার খাওয়া উচিত জেনে নিন

- দীর্ঘদিন ঘুম কম হলে গলার পেশি খুব ঢিলা হয়ে পড়ে, যা নাক ডাকাকে বাড়িয়ে দেয়।

নাক ডাকা কমানোর ৭ বাস্তব, সহজ উপায়

- ঘুমের ভঙ্গি বদলান (বাঁ বা ডান পাশ হয়ে ঘুমান)

- শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে আনুন

- ঘুমের আগে অ্যালকোহল ও সিডেটিভ এড়ান

- নাক পরিষ্কার ও নাসা খোলা রাখুন

- মাথা একটু উঁচু করে শুতে চেষ্টা করুন

- পর্যাপ্ত পানি পান ও হাইড্রেশন বজায় রাখুন

- ভালো ঘুমের অভ্যাস (Sleep Hygiene) নিশ্চিত করুন

নাক ডাকা—যদি এটি মাঝে মাঝে হয়, তা ভয় করার কিছু নয়। সহজ জীবনধারা পরিবর্তন, ভালো ঘুমের অভ্যাস এবং নিজে ইনিশিয়েটিভ—সব দিয়ে আপনি তা অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারেন। তবে যদি নাক ডাকার সঙ্গে গভীর শ্বাস বন্ধ, দিনজুড়ে অবসাদ, মাথাব্যথা বা অন্যান্য সমস্যা থাকে—তবে ডাক্তারের পরামর্শ অবশ্যই নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন : ভাত ছেড়ে দিলেই কি ওজন কমবে? যা বলছেন পুষ্টিবিদ

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

Read Entire Article