রাতের আঁধারে আওয়ামী লীগ অফিসে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে রাতের আঁধারে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত দুইটার দিকে উপজেলার মহেশপুর পৌরসভার গাড়াবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে কার্যালয়ের আসবাবপত্র ও নথিপত্র পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত দুইটার দিকে দুর্বৃত্তরা কার্যালয়ে হামলা চালায়। প্রথমে তারা ভাঙচুর করে এবং পরে আগুন ধরিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় বাসিন্দা কামাল বলেন, গত ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো দলীয় উত্তেজনা বা সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। হঠাৎ করে এ ধরনের হামলায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি না দিলে পরবর্তীতে এমন ঘটনা আরও ঘটাবে তারা।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আমাজেদ সর্দার বলেন, আমরা রাতের কাজ শেষে অফিস থেকে বের হয়ে গিয়েছিলাম। আগুন লাগার খবর পেয়ে গিয়ে দেখি অফিসের চেয়ার-টেবিল, ব্যানার ও কাগজপত্র পুড়ে গেছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জা
ঝিনাইদহের মহেশপুরে রাতের আঁধারে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত দুইটার দিকে উপজেলার মহেশপুর পৌরসভার গাড়াবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে কার্যালয়ের আসবাবপত্র ও নথিপত্র পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত দুইটার দিকে দুর্বৃত্তরা কার্যালয়ে হামলা চালায়। প্রথমে তারা ভাঙচুর করে এবং পরে আগুন ধরিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় বাসিন্দা কামাল বলেন, গত ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো দলীয় উত্তেজনা বা সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। হঠাৎ করে এ ধরনের হামলায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি না দিলে পরবর্তীতে এমন ঘটনা আরও ঘটাবে তারা।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আমাজেদ সর্দার বলেন, আমরা রাতের কাজ শেষে অফিস থেকে বের হয়ে গিয়েছিলাম। আগুন লাগার খবর পেয়ে গিয়ে দেখি অফিসের চেয়ার-টেবিল, ব্যানার ও কাগজপত্র পুড়ে গেছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষ নেওয়াকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছি।
মহেশপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি।