রাতের আঁধারে মাদ্রাসায় নিয়োগ পরীক্ষা

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ১৫নং ফুলহরি ইউনিয়নের পুটিমারী আউলিয়া দাখিল মাদ্রাসায় রাতের আঁধারে নাইটগার্ড নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসার সুপার, সভাপতি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির প্রতিনিধি এক নারী কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন স্থানীয়রা।  শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পুটিমারি আউলিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।  মাদ্রাসার সুপার রুহুল আমিন কালবেলাকে জানান, নিয়োগ পরীক্ষা যথাযথ অনুসরণ করে সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া চলছিল। রেজুলেশনের মাধ্যমে ৫ জন নিয়োগ পরীক্ষার কমিটি করা হয়। এর মধ্যে ডিজির প্রতিনিধি স্যার আসতে দেরি হওয়ায় আমরা বিকেল ৪টায় পরীক্ষা শুরু করি। পরীক্ষার খাতা দেখা ও অন্যান্য কাজের শেষ পর্যায়ে স্থানীয় কিছু এলাকাবাসী এসে কাজে বাধা দেয় এবং আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে।  এ বিষয়ে জানতে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অ্যাকাডেমিক সুপার ভাইজারের মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করলেও তা রিসিভ হয়নি। শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির মোল্লা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মাদ্

রাতের আঁধারে মাদ্রাসায় নিয়োগ পরীক্ষা

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ১৫নং ফুলহরি ইউনিয়নের পুটিমারী আউলিয়া দাখিল মাদ্রাসায় রাতের আঁধারে নাইটগার্ড নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসার সুপার, সভাপতি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির প্রতিনিধি এক নারী কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন স্থানীয়রা। 

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পুটিমারি আউলিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। 

মাদ্রাসার সুপার রুহুল আমিন কালবেলাকে জানান, নিয়োগ পরীক্ষা যথাযথ অনুসরণ করে সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া চলছিল। রেজুলেশনের মাধ্যমে ৫ জন নিয়োগ পরীক্ষার কমিটি করা হয়। এর মধ্যে ডিজির প্রতিনিধি স্যার আসতে দেরি হওয়ায় আমরা বিকেল ৪টায় পরীক্ষা শুরু করি। পরীক্ষার খাতা দেখা ও অন্যান্য কাজের শেষ পর্যায়ে স্থানীয় কিছু এলাকাবাসী এসে কাজে বাধা দেয় এবং আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশ এসে আমাদের উদ্ধার করে। 

এ বিষয়ে জানতে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অ্যাকাডেমিক সুপার ভাইজারের মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করলেও তা রিসিভ হয়নি।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ূন কবির মোল্লা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মাদ্রাসা সুপার ও ডিজির প্রতিনিধি পরিচয় দেওয়া নারী কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে শৈলকুপা ইউএনও কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow