‘রানআউট’ নিয়ে বাগবিতণ্ডা, ছুরিকাঘাতে ক্রিকেটার নিহত

খেলায় আম্পায়ার বা রেফারির সিদ্ধান্ত না মেনে বিবাদে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। মতভেদ দেখা দিলেও এক পক্ষ হতাশায় ডুবে সিদ্ধান্ত মেনে নেয়। সেই বিবাদ কখনো কখনো প্রাণহানির কারণ হয়ে উঠতে পারে। এমন দুঃখজনক এক ঘটনার দেখা মিলল ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে। রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিশাখাপত্তনমের আরিভলোয়া থানা এলাকার পেদাগাদিলিতে এক টি-টিয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ‘রান-আউট’ কল নিয়ে শুরু হওয়া তর্কের জেরে এক তরুণ ক্রিকেটার (২১) ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন। এই ঘটনায় আম্পায়ারও রেহাই পাননি। তিনিসহ ম্যাচের আরও অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি বিশ ওভারের সিরিজ চলছিল। বিনায়ক নগর ও চাকালি পেটা নামে দুটি দল ওই ম্যাচ খেলছিল। ব্যাটিং করছিলেন ডি অজিত নামের এক ব্যাটার। এক পর্যায়ে নন-স্ট্রাইকার এন্ডে একটি রান-আউট কল নিয়ে প্রতিপক্ষ দলের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন অজিত। বিবাদ মেটাতে এগিয়ে আসেন ওই ম্যাচের আম্পায়ার বি চিরঞ্জীবী। তিনি খেলোয়াড়দের শান্ত করেন এবং খেলা পুনরায় শুরু করেন। ম্যাচ শেষে উভয় পক্ষ শান্তভাবেই মাঠ ছাড়ে। ম্যাচ শেষ হ

‘রানআউট’ নিয়ে বাগবিতণ্ডা, ছুরিকাঘাতে ক্রিকেটার নিহত
খেলায় আম্পায়ার বা রেফারির সিদ্ধান্ত না মেনে বিবাদে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। মতভেদ দেখা দিলেও এক পক্ষ হতাশায় ডুবে সিদ্ধান্ত মেনে নেয়। সেই বিবাদ কখনো কখনো প্রাণহানির কারণ হয়ে উঠতে পারে। এমন দুঃখজনক এক ঘটনার দেখা মিলল ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে। রোববার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিশাখাপত্তনমের আরিভলোয়া থানা এলাকার পেদাগাদিলিতে এক টি-টিয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ভারতের গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ‘রান-আউট’ কল নিয়ে শুরু হওয়া তর্কের জেরে এক তরুণ ক্রিকেটার (২১) ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন। এই ঘটনায় আম্পায়ারও রেহাই পাননি। তিনিসহ ম্যাচের আরও অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি বিশ ওভারের সিরিজ চলছিল। বিনায়ক নগর ও চাকালি পেটা নামে দুটি দল ওই ম্যাচ খেলছিল। ব্যাটিং করছিলেন ডি অজিত নামের এক ব্যাটার। এক পর্যায়ে নন-স্ট্রাইকার এন্ডে একটি রান-আউট কল নিয়ে প্রতিপক্ষ দলের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন অজিত। বিবাদ মেটাতে এগিয়ে আসেন ওই ম্যাচের আম্পায়ার বি চিরঞ্জীবী। তিনি খেলোয়াড়দের শান্ত করেন এবং খেলা পুনরায় শুরু করেন। ম্যাচ শেষে উভয় পক্ষ শান্তভাবেই মাঠ ছাড়ে। ম্যাচ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর ওই খেলার এক দর্শক বিনায়ক নগরের বাসিন্দা কান্ত কিশোর ওরফে ‘বক্সার’ হঠাৎ অজিত ও আম্পায়ার চিরঞ্জীবীর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীরা তখন তাদের সরিয়ে দিলেও কিশোরের ক্ষোভ কমেনি। কান্ত কিশোর পরে অজিত ও চিরঞ্জীবীকে পেদাগাদিলি জংশনে দেখলে গালিগালাজ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে তিনি পকেট থেকে ছুরি বের করে অজিতের বুকে আঘাত করেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আম্পায়ার চিরঞ্জীবী এবং পথচারীসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর পর কিশোর পালিয়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় অজিতকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের বাবা ডি আপ্পালা রাজুর স্থানীয় থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। ঘাতক কিশোরকে ধরতে অভিযানে নেমেছে পুলিশ। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow