রামিসা হত্যা মামলা: বড় বোনের বক্তব্য নেওয়া হচ্ছে ক্যামেরা ট্রায়ালে
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়। প্রথম সাক্ষী হিসেবে মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী শিশুটির বাবার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামলার অন্যান্য সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। এদিকে, ভুক্তভোগীর বড় বোন রাইসা আক্তার শিশু হওয়ায় তার সাক্ষ্য আদালতে সরাসরি গ্রহণ করা হচ্ছে না। আদালতের নির্দেশনায় বিশেষ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে তার বক্তব্য রেকর্ড করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এর আগে সোমবার (১ জুন) একই ট্রাইব্যুনালে মামলার অভিযোগ গঠনের (চার্জ গঠন) শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান আসামি সোহেল রানা ও অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকে উপস্থিত করে শুনানি গ্রহণ শেষে আদালত মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে পাঠিয়ে ২ জুন দিন ধার্য করেন। মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৪ মে আদালত পুলিশের দাখিল করা
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আজ মঙ্গলবার (২ জুন) সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে কার্যক্রম শুরু হয়।
এর আগে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়।
প্রথম সাক্ষী হিসেবে মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী শিশুটির বাবার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামলার অন্যান্য সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, ভুক্তভোগীর বড় বোন রাইসা আক্তার শিশু হওয়ায় তার সাক্ষ্য আদালতে সরাসরি গ্রহণ করা হচ্ছে না। আদালতের নির্দেশনায় বিশেষ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে তার বক্তব্য রেকর্ড করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এর আগে সোমবার (১ জুন) একই ট্রাইব্যুনালে মামলার অভিযোগ গঠনের (চার্জ গঠন) শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান আসামি সোহেল রানা ও অপর আসামি স্বপ্না আক্তারকে উপস্থিত করে শুনানি গ্রহণ শেষে আদালত মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে পাঠিয়ে ২ জুন দিন ধার্য করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৪ মে আদালত পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ১ জুন অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন আদালত।
গত ১৯ মে পল্লবীর মিরপুর-১১ এলাকার একটি বাসা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হওয়ায় মামলার বিচারিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। পর্যায়ক্রমে তদন্ত কর্মকর্তা ও অন্যান্য সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিচারকাজ এগিয়ে যাবে।
এমডিএএ/এসএনআর
What's Your Reaction?