রামেকে অবৈধ এক্স-রে, অপারেটর আটক
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে অবৈধভাবে পোর্টেবল এক্স-রে (প্রটোকল) মেশিন ব্যবহার করে রোগীদের পরীক্ষা করার সময় এক অপারেটরকে হাতেনাতে আটক করেছে জনতা। পরে তাকে হাসপাতালের পুলিশ বক্সে সোপর্দ করা হয়। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর পনে ১টার দিকে রামেক হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। আটক মো. মাসুদ রানা (৩৫) রাজশাহীর তানোর চকসাজুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা মকবুল হোসেনের ছেলে। তিনি প্রটোকল এক্স-রে মেশিনের অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর পনে ১টার দিকে রামেক হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে তিনি অবৈধভাবে রোগীদের এক্স-রে করছিলেন। এ সময় রোগীর স্বজনদের সন্দেহ হলে তারা তাকে আটক করেন এবং বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তাকে রামেক হাসপাতাল সংলগ্ন পুলিশ বক্সে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী মহানগর রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আব্দুল আলিম কালবেলাকে জানান, ঘটনাটি সত্য। অবৈধভাবে এক্স-রে করার সময় একজন অপারেটরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছিল। রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেড
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে অবৈধভাবে পোর্টেবল এক্স-রে (প্রটোকল) মেশিন ব্যবহার করে রোগীদের পরীক্ষা করার সময় এক অপারেটরকে হাতেনাতে আটক করেছে জনতা। পরে তাকে হাসপাতালের পুলিশ বক্সে সোপর্দ করা হয়।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর পনে ১টার দিকে রামেক হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
আটক মো. মাসুদ রানা (৩৫) রাজশাহীর তানোর চকসাজুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা মকবুল হোসেনের ছেলে। তিনি প্রটোকল এক্স-রে মেশিনের অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর পনে ১টার দিকে রামেক হাসপাতালের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে তিনি অবৈধভাবে রোগীদের এক্স-রে করছিলেন। এ সময় রোগীর স্বজনদের সন্দেহ হলে তারা তাকে আটক করেন এবং বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
পরে তাকে রামেক হাসপাতাল সংলগ্ন পুলিশ বক্সে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী মহানগর রাজপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আব্দুল আলিম কালবেলাকে জানান, ঘটনাটি সত্য। অবৈধভাবে এক্স-রে করার সময় একজন অপারেটরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছিল। রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল স্যারের সঙ্গে কথা বলে আটক ব্যক্তির থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকে এম মাসুদ-উল-ইসলাম জানান, হাসপাতালের নিজস্ব এক্স-রে মেশিন নষ্ট থাকায় বিকল্প হিসেবে বাইরে থেকে পোর্টেবল (প্রটোকল) মেশিন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে হাসপাতাল এলাকায় কিছু সময় আলোচনা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে বলেও জানান তিনি।
What's Your Reaction?