রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় ফুলবাড়িয়ার যুবক নিহত

রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার আ. রহিম (৩০) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। ভাড়াটে যোদ্ধা হিসেবে তিনি রাশিয়ায় ছিলেন। তার মৃত্যুর খবরে পরিবার ও এলাকায় শোকের মাতম চলছে। নিহত আ. রহিম ফুলবাড়িয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের নামাপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরানোর আশায় গত অক্টোবরে রাশিয়ায় যান রহিম। প্রথমদিকে পরিবারের সদস্যরা ধারণা করেছিলেন, তিনি সেখানে কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। পরে জানতে পারেন চলতি বছরের ৭ এপ্রিল তিনি রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন। বিষয়টি পরিবারের কাছ থেকে গোপন রেখেছিলেন বলেও দাবি স্বজনদের। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২ মে রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেন সীমান্ত এলাকায় ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রহিম নিহত হন। সোমবার (১১ মে) সন্ধ্যা ৭টায় রহিমের বন্ধু লিমন দত্ত ফেসবুক মেসেঞ্জারে পরিবারকে রহিমের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। লিমন নিজেও একই ক্যাম্পে রুশ সেনাসদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহতের মা রমিচা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার বড় ছেলে সংসারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে বিদেশ গিয়েছিল। সেই ছিল পরিবার

রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় ফুলবাড়িয়ার যুবক নিহত

রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার আ. রহিম (৩০) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। ভাড়াটে যোদ্ধা হিসেবে তিনি রাশিয়ায় ছিলেন। তার মৃত্যুর খবরে পরিবার ও এলাকায় শোকের মাতম চলছে।

নিহত আ. রহিম ফুলবাড়িয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের নামাপাড়া গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরানোর আশায় গত অক্টোবরে রাশিয়ায় যান রহিম। প্রথমদিকে পরিবারের সদস্যরা ধারণা করেছিলেন, তিনি সেখানে কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। পরে জানতে পারেন চলতি বছরের ৭ এপ্রিল তিনি রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন। বিষয়টি পরিবারের কাছ থেকে গোপন রেখেছিলেন বলেও দাবি স্বজনদের।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২ মে রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেন সীমান্ত এলাকায় ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রহিম নিহত হন। সোমবার (১১ মে) সন্ধ্যা ৭টায় রহিমের বন্ধু লিমন দত্ত ফেসবুক মেসেঞ্জারে পরিবারকে রহিমের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। লিমন নিজেও একই ক্যাম্পে রুশ সেনাসদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতের মা রমিচা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার বড় ছেলে সংসারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে বিদেশ গিয়েছিল। সেই ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষ। সংসারে শান্তি ফেরাতে গিয়ে নিজেই মারা গেল।

নিহতের বাবা আজিজুল হক বলেন, রহিম এপ্রিলে রাশিয়ান সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে এক মাস প্রশিক্ষণ নেয়। সে বিষয়টি গোপন রেখেছিল। জানলে কখনোই সেখানে যেতে দিতাম না। ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তিনি।

ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম হিরা বলেন, পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছি। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতার সুযোগ থাকলে তা নিশ্চিত করা হবে।

ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল হাসান জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে এখনো সরকারি কোনো আনুষ্ঠানিক বার্তা পাওয়া যায়নি। এরপরও নিহতের পরিবারকে সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়া হবে।

অন্যদিকে, ফুলবাড়িয়া আসনের সংসদ সদস্য কামরুল হাসান মিলন মঙ্গলবার দুপুরে নিহতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং সমবেদনা জানান।

এএইচ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow