‘রাষ্ট্রপতিকে ভাষণের সুযোগ দিয়ে জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করা হয়েছে’

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণের সুযোগ দেওয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে ‘গাদ্দারি’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় মহাসচিব মুসা বিন ইযহার। তিনি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ পবিত্র সংসদের মর্যাদাকেও ক্ষুণ্ন করেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর সেগুনবাগিচার বাগিচা রেস্টুরেন্টে নেজামে ইসলাম পার্টি ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মহানগর আমির মাওলানা আনোয়ারুল কবীরের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুফতি আতিকুর রহমান সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, আলেম ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। মুসা বিন ইযহার বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমেই বর্তমান সরকারের বৈধতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই ভবিষ্যতে এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ যদি পুরনো সংবিধানের অজুহাত দেখিয়ে সংস্কার কার্যক্রম থেকে পিছিয়ে যায় বা গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এড়িয়ে যায়, তাহলে দেশে নতুন করে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হতে পারে। মহাসচিব আরও বলেন, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে

‘রাষ্ট্রপতিকে ভাষণের সুযোগ দিয়ে জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করা হয়েছে’

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণের সুযোগ দেওয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে ‘গাদ্দারি’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় মহাসচিব মুসা বিন ইযহার। তিনি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ পবিত্র সংসদের মর্যাদাকেও ক্ষুণ্ন করেছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর সেগুনবাগিচার বাগিচা রেস্টুরেন্টে নেজামে ইসলাম পার্টি ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মহানগর আমির মাওলানা আনোয়ারুল কবীরের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুফতি আতিকুর রহমান সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, আলেম ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মুসা বিন ইযহার বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমেই বর্তমান সরকারের বৈধতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই ভবিষ্যতে এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ যদি পুরনো সংবিধানের অজুহাত দেখিয়ে সংস্কার কার্যক্রম থেকে পিছিয়ে যায় বা গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এড়িয়ে যায়, তাহলে দেশে নতুন করে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হতে পারে।

মহাসচিব আরও বলেন, জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে আওয়ামী লীগের দোসর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণের সুযোগ করে দিয়ে জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করা হয়েছে। এজন্য রাষ্ট্রপতির বহিষ্কার ও বিচারের দাবি জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে দলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী বিশ্ব শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের পক্ষে দলের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা ডা. মুহাম্মদ ইলিয়াস খান শহীদ ওসমান হাদী হত্যাসহ সব হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন এবং জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। 

ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন নেজামে ইসলাম পার্টির কেন্দ্রীয় সংগঠন সচিব মাওলানা আবু তাহের খান, খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর দক্ষিণের প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মদ সেলিম, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, সদস্য সচিব বারকাজ নাছির আহমেদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির ঢাকা মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাব্বির আহমদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ঢাকা মহানগরের সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসমাজের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিএম আমীর জিহাদীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow