রিজওয়ানা ও খলিলুরকে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জামায়াতের
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ জামায়াতে ইসলামীর। অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এ দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনার দাবি দলটির। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সমসাময়িক বিষয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ দাবি করেন জামায়াতের নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। জামায়াতের নায়েবে আমির অভিযোগ করে বলেন, বিগত নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিষয়ে আমরা নানা অভিযোগ ইতোমধ্যেই তুলে ধরেছি। কিছু আসনের বিষয়ে আদালতেও যাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গতকাল (বুধবার ৪ মার্চ) আমরা একটা রাজসাক্ষী পেয়েছি, যিনি সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান। সরকারের কাছে দাবি থাকবে, রিজওয়ানা হাসানকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনতে হবে। ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে’ জড়িতদের মীরজাফররা আখ্যা দিয়ে জামায়াতের এ নেতা বললেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের আকাঙ্ক্ষা ভণ্ডুল করে দিয়েছে এই মীরজাফররা। পুরো সরকার নাকি সরকারের একটি অংশ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জড়িত ছিল, তা জাতির কাছে স্পষ্ট করত
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ জামায়াতে ইসলামীর। অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এ দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনার দাবি দলটির।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে সমসাময়িক বিষয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ দাবি করেন জামায়াতের নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।
জামায়াতের নায়েবে আমির অভিযোগ করে বলেন, বিগত নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিষয়ে আমরা নানা অভিযোগ ইতোমধ্যেই তুলে ধরেছি। কিছু আসনের বিষয়ে আদালতেও যাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে গতকাল (বুধবার ৪ মার্চ) আমরা একটা রাজসাক্ষী পেয়েছি, যিনি সাবেক উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান। সরকারের কাছে দাবি থাকবে, রিজওয়ানা হাসানকে দ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনতে হবে।
‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে’ জড়িতদের মীরজাফররা আখ্যা দিয়ে জামায়াতের এ নেতা বললেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের আকাঙ্ক্ষা ভণ্ডুল করে দিয়েছে এই মীরজাফররা। পুরো সরকার নাকি সরকারের একটি অংশ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জড়িত ছিল, তা জাতির কাছে স্পষ্ট করতে হবে। কী ধরনের ষড়যন্ত্র তারা করেছেন, তা-ও জাতির সামনে উন্মোচন করা জরুরি।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও বর্তমান মন্ত্রী খলিলুর রহমানকেও জিজ্ঞাসাবাদের দাবি তোলেন ডা. তাহের।
খলিলুর রহমান অন্তর্বর্তী সরকারে থেকে বিএনপির গোপন কন্ট্রাক্ট করেছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যে কারণে তিনি পুরস্কৃত হয়ে বর্তমান বিএনপি সরকারের মন্ত্রী হয়েছেন। ওনারা অন্তর্বর্তী সরকারে থেকে সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করেছেন। খলিলুর রহমানকেও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনতে হবে।’
ভোটের পরও দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফেরেনি দাবি করে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, নানা জায়গায় নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটছে। হামলা করে জনগণের জীবন নিরাপত্তাহীন করে তুলেছে।
এছাড়া অবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা ফেরাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় জামায়াত।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, তাদের রাজনীতির যে অংশ নারীবাদ, নারীর ক্ষমতায়ন ও নারীর সমান অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে— সে অংশ নিয়ে আমার-আপনার কাজ করা উচিত। কখনো যেন সেই শক্তি মেইনস্ট্রিম হতে না পারে, আমরা সেই কাজটি করতে পেরেছি। তাদের আমরা মেইনস্ট্রিম হতে দেইনি।
What's Your Reaction?