রিয়া গোপের পরিবারকে নাসিক প্রশাসকের আর্থিক অনুদান

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ছয় বছর বয়সী শিশু রিয়া গোপের পরিবারের হাতে এক লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটি এলাকায় রিয়ার বাবা দীপক কুমার গোপ ও মা বিউটি ঘোষের হাতে তাদের বাসভবনে গিয়ে এ সহায়তার চেক তুলে দেন তিনি। এ সময় অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, রিয়ার হত্যা মামলার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান রয়েছে এবং বর্তমান সরকার দ্রুত, স্বচ্ছ ও ন্যায়ভিত্তিক বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এ মামলার সাক্ষী হিসেবেও আমি যুক্ত আছি। বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রিয়া হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমরা আশাবাদী। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে শহরের মলপাড়া থেকে ২ নম্বর রেলগেট এলাকায় সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই সময় নয়ামাটিতে নিজ বাসার পাঁচতলার ছাদে খেলছিল ছয় বছর বয়সী রিয়া গোপ। হঠাৎ গুলিবিদ্ধ হলে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ দিন পর ২৪ জুলাই তার মৃত্যু হ

রিয়া গোপের পরিবারকে নাসিক প্রশাসকের আর্থিক অনুদান

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত ছয় বছর বয়সী শিশু রিয়া গোপের পরিবারের হাতে এক লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটি এলাকায় রিয়ার বাবা দীপক কুমার গোপ ও মা বিউটি ঘোষের হাতে তাদের বাসভবনে গিয়ে এ সহায়তার চেক তুলে দেন তিনি।

এ সময় অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, রিয়ার হত্যা মামলার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান রয়েছে এবং বর্তমান সরকার দ্রুত, স্বচ্ছ ও ন্যায়ভিত্তিক বিচার নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এ মামলার সাক্ষী হিসেবেও আমি যুক্ত আছি। বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রিয়া হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমরা আশাবাদী।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে শহরের মলপাড়া থেকে ২ নম্বর রেলগেট এলাকায় সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই সময় নয়ামাটিতে নিজ বাসার পাঁচতলার ছাদে খেলছিল ছয় বছর বয়সী রিয়া গোপ। হঠাৎ গুলিবিদ্ধ হলে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ দিন পর ২৪ জুলাই তার মৃত্যু হয়।

এদিকে সন্তান হারানোর শোক আজও কাটিয়ে উঠতে পারেননি রিয়ার বাবা-মা। তার মা বলেন, অনেক কষ্টের বিনিময়ে আমি এ সন্তানটি পেয়েছিলাম, আমি আর মা ডাক শুনতে পারব না। মেয়ের অসংখ্য স্মৃতি নিয়েই আমাদের প্রতিটি দিন কাটছে।

মোবাশ্বির শ্রাবণ/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow