রুশ তেল আমদানি অব্যাহত রাখবে ভারত

ভারত জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্র সাময়িক ছাড় দিলেও রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখবে তারা। একই সঙ্গে নয়াদিল্লি বলেছে, এ বিষয়ে তাদের ওয়াশিংটনের অনুমতির প্রয়োজন নেই। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান এবং ইরানের পাল্টা হামলার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি ও পরিবহন খাতে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দামও বেড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার ওপর আরোপিত কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করে, যাতে সমুদ্রে আটকে থাকা রুশ তেল ভারতে বিক্রি করা যায়। তবে ভারতের সরকারি সংস্থা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো এক বিবৃতিতে জানায়, রুশ তেল কেনার জন্য ভারত কোনো স্বল্পমেয়াদি ছাড়ের ওপর নির্ভরশীল নয়। বিবৃতিতে বলা হয়, রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারত কখনোই কোনো দেশের অনুমতির ওপর নির্ভর করেনি। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেও ভারত রুশ তেল আমদানি করছে এবং রাশিয়া এখনও ভারতের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী। ভারত আরও জানিয়েছে, স্বল্পমেয়াদি বিঘ্ন মোকাবিলার জন্য তাদের কাছে ২৫০ মিলিয়ন ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্যের মজুত রয়েছে। তবে একই দিনে

রুশ তেল আমদানি অব্যাহত রাখবে ভারত

ভারত জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্র সাময়িক ছাড় দিলেও রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখবে তারা। একই সঙ্গে নয়াদিল্লি বলেছে, এ বিষয়ে তাদের ওয়াশিংটনের অনুমতির প্রয়োজন নেই।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান এবং ইরানের পাল্টা হামলার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি ও পরিবহন খাতে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এতে বিশ্ববাজারে তেলের দামও বেড়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার ওপর আরোপিত কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করে, যাতে সমুদ্রে আটকে থাকা রুশ তেল ভারতে বিক্রি করা যায়।

তবে ভারতের সরকারি সংস্থা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো এক বিবৃতিতে জানায়, রুশ তেল কেনার জন্য ভারত কোনো স্বল্পমেয়াদি ছাড়ের ওপর নির্ভরশীল নয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারত কখনোই কোনো দেশের অনুমতির ওপর নির্ভর করেনি। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেও ভারত রুশ তেল আমদানি করছে এবং রাশিয়া এখনও ভারতের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী।

ভারত আরও জানিয়েছে, স্বল্পমেয়াদি বিঘ্ন মোকাবিলার জন্য তাদের কাছে ২৫০ মিলিয়ন ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্যের মজুত রয়েছে।

তবে একই দিনে ভারত রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি সিলিন্ডারের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি বাজারে চাপ আরও বাড়তে পারে।

সূত্র: এএফপি

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow