রুয়েটে অনলাইন সার্টিফিকেট আবেদন সেবা চালু
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট সংগ্রহ প্রক্রিয়া সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে চালু হয়েছে অনলাইন সার্টিফিকেট আবেদন সেবা। আগামী ২৯ জুলাই থেকে শিক্ষার্থীরা মূল সনদ (মেইন সার্টিফিকেট), প্রভিশনাল সার্টিফিকেট (পিপিসি), চতুর্থ সনদসহ বিভিন্ন ধরনের সনদের জন্য ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। একই সঙ্গে আবেদন জমা দেওয়া থেকে সনদ গ্রহণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ অনলাইনে অনুসরণ করার সুযোগ থাকবে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সেবার উদ্বোধন করেন রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার, সহকারী পরিচালক মো. আবু ইসমাইল সিদ্দিকী সাইফ, উপপরিচালক জেড. এইচ. এম. মঞ্জুর মোরশেদ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক ড. এইচ. এম. রাসেল, আইসিটি সেলের পরিচালক ড. মো. সামিউল হাবিব এবং রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. মাঈদুল ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন ডিজিটাল পোর্টালের মাধ্যমে আবেদনকারীরা সার্টিফিকেটের জন্য আবে
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট সংগ্রহ প্রক্রিয়া সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে চালু হয়েছে অনলাইন সার্টিফিকেট আবেদন সেবা। আগামী ২৯ জুলাই থেকে শিক্ষার্থীরা মূল সনদ (মেইন সার্টিফিকেট), প্রভিশনাল সার্টিফিকেট (পিপিসি), চতুর্থ সনদসহ বিভিন্ন ধরনের সনদের জন্য ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। একই সঙ্গে আবেদন জমা দেওয়া থেকে সনদ গ্রহণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ অনলাইনে অনুসরণ করার সুযোগ থাকবে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সেবার উদ্বোধন করেন রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার, সহকারী পরিচালক মো. আবু ইসমাইল সিদ্দিকী সাইফ, উপপরিচালক জেড. এইচ. এম. মঞ্জুর মোরশেদ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক ড. এইচ. এম. রাসেল, আইসিটি সেলের পরিচালক ড. মো. সামিউল হাবিব এবং রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মো. মাঈদুল ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন ডিজিটাল পোর্টালের মাধ্যমে আবেদনকারীরা সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করার পর থেকে সনদ গ্রহণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের অগ্রগতি অনলাইনে পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এতে আবেদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে এবং সময় ও শ্রম সাশ্রয় হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এতদিন একটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে শিক্ষার্থীদের ৮৭টি দপ্তর বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছ থেকে সশরীরে ক্লিয়ারেন্স বা স্বাক্ষর নিতে হতো। বিভিন্ন দপ্তরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সময়মতো না পাওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের কয়েক দিন ধরে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হতো। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য এ প্রক্রিয়া ছিল দীর্ঘ ও ভোগান্তিপূর্ণ। নতুন ব্যবস্থায় এসব কার্যক্রম সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করা যাবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, বর্তমানে পৃথক পৃথক ডিজিটাল সেবা চালু হলেও ভবিষ্যতে সব সেবাকে একীভূত করে ‘ভার্চুয়াল রুয়েট’ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি দল কাজ করছে।
ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম সরকার বলেন, অনলাইন ক্লিয়ারেন্স ব্যবস্থা চালুর ফলে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের জটিলতা দূর হবে। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই এখন বিদেশ থেকেও সহজে সনদের ভেরিফিকেশন করতে পারছেন। আগে এ প্রক্রিয়ায় প্রায় ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যয় হলেও বর্তমানে মাত্র ৫০০ টাকায় তা সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আগামী মাসে হল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কুরিয়ার সেবার মাধ্যমে সার্টিফিকেট সরবরাহের সুবিধা যুক্ত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, অনলাইন সার্টিফিকেট আবেদন ব্যবস্থা ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালিত হয়েছে। আগামী ২৯ জুলাই থেকে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সংশ্লিষ্টদের আশা, নতুন এ সেবা প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী করে তুলবে।
উল্লেখ্য, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আবু ইসমাইল সিদ্দিকী সাইফের তত্ত্বাবধানে রুয়েটের ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার রহমান সফটওয়্যারটি তৈরি করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে এতে আরও নতুন ফিচার যুক্ত করা হবে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত এ উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক সেবা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।