রেকর্ড আয় অ্যাপলের
বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল চলতি বছরের জুন প্রান্তিকে রেকর্ড ১০৯.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে। এটি কোম্পানির ইতিহাসে জুন প্রান্তিকের সর্বোচ্চ রাজস্ব এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। শুক্রবার (৩০ জুলাই) অ্যাপল এক আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে টেক জায়ান্ট সংস্থাটি। প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, একই প্রান্তিকে অ্যাপলের নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৯.৮ বিলিয়ন ডলারে, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস আইফোন বিক্রি থেকে এসেছে ৫৪.২৫ বিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি ম্যাক কম্পিউটার বিক্রিতেও শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টিম কুক বলেন, ব্যবসা চালুর পর এটিই ইতিহাসের সবচেয়ে সফল জুন প্রান্তিক। এ সময়ে বিশ্বের প্রতিটি অঞ্চলে আইফোন, ম্যাক ও সার্ভিস খাতে আয় বেড়েছে। নতুন পণ্য, সেবা খাতের সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন বাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদাইএই সাফল্যের অন্যতম কারণ। অ্যাপলের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) কেভান পারেখ জানান, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ও পরিচালন নগদ প্রবাহে জুন প্রান্
বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল চলতি বছরের জুন প্রান্তিকে রেকর্ড ১০৯.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে। এটি কোম্পানির ইতিহাসে জুন প্রান্তিকের সর্বোচ্চ রাজস্ব এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। শুক্রবার (৩০ জুলাই) অ্যাপল এক আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে টেক জায়ান্ট সংস্থাটি।
প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, একই প্রান্তিকে অ্যাপলের নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৯.৮ বিলিয়ন ডলারে, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস আইফোন বিক্রি থেকে এসেছে ৫৪.২৫ বিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি ম্যাক কম্পিউটার বিক্রিতেও শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।
অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টিম কুক বলেন, ব্যবসা চালুর পর এটিই ইতিহাসের সবচেয়ে সফল জুন প্রান্তিক। এ সময়ে বিশ্বের প্রতিটি অঞ্চলে আইফোন, ম্যাক ও সার্ভিস খাতে আয় বেড়েছে। নতুন পণ্য, সেবা খাতের সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন বাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদাইএই সাফল্যের অন্যতম কারণ।
অ্যাপলের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) কেভান পারেখ জানান, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ও পরিচালন নগদ প্রবাহে জুন প্রান্তিকের নতুন রেকর্ড গড়েছে অ্যাপল। বিশ্বজুড়ে সব ক্যাটাগরিতে সচল ডিভাইসের সংখ্যাও এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আইফোন ও ম্যাকের শক্তিশালী বিক্রি এবং সেবা খাত থেকে ধারাবাহিক আয় বৃদ্ধির ফলে অ্যাপল এ রেকর্ড অর্জন করেছে। তবে ভবিষ্যৎ প্রান্তিকের তুলনামূলক সতর্ক আর্থিক পূর্বাভাসের কারণে প্রতিবেদন প্রকাশের পর শেয়ারবাজারে কোম্পানির শেয়ারের দামে কিছুটা চাপ লক্ষ্য করা গেছে।
প্রসঙ্গত, এই ফলাফল বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে অ্যাপলকে আবারও তাদের শক্তিশালী অবস্থানে তুলে ধরেছে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাও আরও দৃঢ় করেছে।
সূত্র: অ্যাপল ডট কম
What's Your Reaction?