রেকর্ড বজ্রপাতে অর্ধশতাধিক গরুর মৃত্যু

দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ ও বায়ূচাপের প্রভাবে দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকায় টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। তবে এমন বৈরী আবহাওয়া শুধু বৃষ্টি নয়, চলছে লাগাতার বজ্রপাতও। এ বজ্রপাতে উপকূলীয় কৃষকদের সর্বনাশ ডেকে এনেছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছেন অনেক খামারী। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এখন পর্যন্ত প্রায় অর্ধশতাধিক গবাদি পশু মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এসবের মধ্যে অনেক পশুই আসন্ন ঈদুল আজহার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে হঠাৎ শুরু হওয়া এই কাল বৈশাখী ঝড়ে এখনো পর্যন্ত ২৩ জন কৃষকের স্বপ্ন পুড়েছে বলছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। যার তালিকা আরও দীর্ঘ হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।  দুই দিনে এখন পর্যন্ত লালুয়া ইউপির কৃষক মো. জহিরুল ইসলাম, মো. আক্কাস, মহিপুর সদর ইউপির কৃষক জনপতি, লতিফপুর গ্রামের শাহীন খান ও আলতাফ গাজী, ইউসুফপুরের মকবুল খান, মনোহরপুরের রিপন চন্দ্র শীল, মহিপুর গ্রামের আনিস ঘরামি, ধুলাসার ইউনিয়নের নয়াকাটা গ্রামের মাইনুদ্দিন হাওলাদার, তারিকাটা গ্রামের মো. দেলোয়ার ও সোবহান, বালিয়াতলী ইউনিয়নের মো. বশির,দক্ষিণ বালিয়াতলী গ্রামের কৃষক ইব্রাহিম, বালিয়াতলী গ্রামের মো. হাবিবুল

রেকর্ড বজ্রপাতে অর্ধশতাধিক গরুর মৃত্যু
দেশের অভ্যন্তরে বজ্রমেঘ ও বায়ূচাপের প্রভাবে দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকায় টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। তবে এমন বৈরী আবহাওয়া শুধু বৃষ্টি নয়, চলছে লাগাতার বজ্রপাতও। এ বজ্রপাতে উপকূলীয় কৃষকদের সর্বনাশ ডেকে এনেছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছেন অনেক খামারী। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এখন পর্যন্ত প্রায় অর্ধশতাধিক গবাদি পশু মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এসবের মধ্যে অনেক পশুই আসন্ন ঈদুল আজহার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে হঠাৎ শুরু হওয়া এই কাল বৈশাখী ঝড়ে এখনো পর্যন্ত ২৩ জন কৃষকের স্বপ্ন পুড়েছে বলছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। যার তালিকা আরও দীর্ঘ হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।  দুই দিনে এখন পর্যন্ত লালুয়া ইউপির কৃষক মো. জহিরুল ইসলাম, মো. আক্কাস, মহিপুর সদর ইউপির কৃষক জনপতি, লতিফপুর গ্রামের শাহীন খান ও আলতাফ গাজী, ইউসুফপুরের মকবুল খান, মনোহরপুরের রিপন চন্দ্র শীল, মহিপুর গ্রামের আনিস ঘরামি, ধুলাসার ইউনিয়নের নয়াকাটা গ্রামের মাইনুদ্দিন হাওলাদার, তারিকাটা গ্রামের মো. দেলোয়ার ও সোবহান, বালিয়াতলী ইউনিয়নের মো. বশির,দক্ষিণ বালিয়াতলী গ্রামের কৃষক ইব্রাহিম, বালিয়াতলী গ্রামের মো. হাবিবুল্লাহ ও মো. জলিল, রিফিউজি পাড়ার মো. ফেরদাউস ও শাহিদা বেগম, খাপড়াভাঙ্গা গ্রামের আব্বাস মৃধা, ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের  মধুখালী গ্রামের আনেচ খান, নিজাম স্বর্ণমত, এনায়েত তালুকদার ও ছিদ্দিক হাওলাদার, কোমরপুর গ্রামের নূর হোসেনসহ এই ২৩ কৃষকের অন্তত ২৯টি গরু বজ্রপাতে মারা গেছে। ধূলাসার ইউপির ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার হাওলাদার কালবেলাকে জানান, বজ্রপাতে তার দুটি গাভিন গরুর মৃত্যু হয়েছে। বড় জাতের দুটি গরুর বাজার মূল্য প্রায় লাখ টাকা ছিল। তিনি এখন দুশ্চিন্তায় করছেন বলেও জানান এই কৃষক। কলাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ কালবেলাকে বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত ২৩ জন কৃষকের তালিকা পেয়েছি। তাদের ২৯টি গরু বজ্রপাতে মাঠে এবং খামারে নিহত হয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এর সংখ্যা আরও অনেক বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক কৃষকের গরুর মৃত্যুর খবর পাচ্ছি কিন্তু এখনো তাদের নাম পাইনি।  কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কাউসার হামিদ কালবেলাকে জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে সরকারিভাবে নগদ অর্থ, খাদ্য সহায়তা ও ঢেউটিন প্রদান করা হবে। আমরা সঠিকভাবে তালিকা প্রনায়ন করছি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow