রেললাইন সংস্কারে কলাগাছ ও বালুর বস্তা

ময়মনসিংহের নান্দাইলে ভৈরব-ময়মনসিংহ ৭৫ কিলোমিটার রেললাইনের একটি ঝুঁকিপূর্ণ অংশে কলাগাছ ও বালুর বস্তা দিয়ে সংস্কারের ঘটনা ঘটেছে। নান্দাইল উপজেলার মুসল্লি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়ায় রেললাইনের শুভখিলা নামক স্থানে রেলের পাথর ও নিচের মাটি সরে যাওয়ায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এ ‘অদ্ভুত’ পদ্ধতি অবলম্বন করেছে। যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিন জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে শুভখিলার রেললাইনের ওই অংশের মাটি ও পাথর সরে যাওয়ায় ট্রেন চলাচলের সময় বিকট শব্দ হচ্ছিল এবং বগিগুলো বিপজ্জনকভাবে হেলে পড়ছিল। এতে যাত্রীদের মধ্যে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি স্থানীয়রা রেল কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর স্লিপার বা পাথর দিয়ে স্থায়ী সমাধানের বদলে প্লাস্টিকের বস্তায় বালু ভরে এবং তা আটকে রাখতে কলাগাছ ও কাঠের খুঁটি ব্যবহার করা হয়েছে। রেললাইন কর্তৃপক্ষের এমন সংস্কারকে দায়িত্বে অবহেলা ও গাফিলতির কারণ হিসেবে দেখার পাশাপাশি সেই অংশটুকু দ্রুত টেকসই সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল মিয়া ও ফরহাদ মিয়া জানান, এটা কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতি। রেললাইনের কাজে কলাগাছ ও বালুর

রেললাইন সংস্কারে কলাগাছ ও বালুর বস্তা

ময়মনসিংহের নান্দাইলে ভৈরব-ময়মনসিংহ ৭৫ কিলোমিটার রেললাইনের একটি ঝুঁকিপূর্ণ অংশে কলাগাছ ও বালুর বস্তা দিয়ে সংস্কারের ঘটনা ঘটেছে। নান্দাইল উপজেলার মুসল্লি ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়ায় রেললাইনের শুভখিলা নামক স্থানে রেলের পাথর ও নিচের মাটি সরে যাওয়ায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এ ‘অদ্ভুত’ পদ্ধতি অবলম্বন করেছে। যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিন জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে শুভখিলার রেললাইনের ওই অংশের মাটি ও পাথর সরে যাওয়ায় ট্রেন চলাচলের সময় বিকট শব্দ হচ্ছিল এবং বগিগুলো বিপজ্জনকভাবে হেলে পড়ছিল। এতে যাত্রীদের মধ্যে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি স্থানীয়রা রেল কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর স্লিপার বা পাথর দিয়ে স্থায়ী সমাধানের বদলে প্লাস্টিকের বস্তায় বালু ভরে এবং তা আটকে রাখতে কলাগাছ ও কাঠের খুঁটি ব্যবহার করা হয়েছে। রেললাইন কর্তৃপক্ষের এমন সংস্কারকে দায়িত্বে অবহেলা ও গাফিলতির কারণ হিসেবে দেখার পাশাপাশি সেই অংশটুকু দ্রুত টেকসই সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল মিয়া ও ফরহাদ মিয়া জানান, এটা কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতি। রেললাইনের কাজে কলাগাছ ও বালুর বস্তা ব্যবহারের বিষয়টি খুবই নিন্দনীয়। এ ছাড়া এ নিম্নমানের কাজের ফলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই রেললাইনটি দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন। 

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আহসান হাবিব কালবেলাকে জানান, এভাবে রেললাইন সংস্কারের কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow