রেললাইনের পাশে সড়ক নেই, দুর্ভোগে এলাকাবাসী
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার কন্টিনালা রেল ব্রিজ থেকে জুড়ী বাজার রেল ব্রিজ পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় কোনো যাতায়াত যোগ্য সড়ক না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেললাইনের ওপর দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে তাদের। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রেললাইনের দুই পাশেই সড়ক নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন কিংবা কৃষিপণ্য আনা-নেওয়াও হয়ে পড়েছে কষ্টসাধ্য। এমনকি কোনো দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ড ঘটলে ফায়ার সার্ভিসের যানবাহন প্রবেশ করাও দুষ্কর হয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, রেললাইনের উন্নয়ন কাজ শেষ হলে পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হতে পারে। যানবাহন চলাচলের কোনো পথ অবশিষ্ট থাকবে না। ফলে রেললাইনের আশপাশের প্রায় পাঁচ শতাধিক বাড়িঘরের বাসিন্দা কার্যত গৃহবন্দী হয়ে পড়বেন। স্থানীয় জানান, নতুন রেললাইন পূর্বের তুলনায় প্রায় ৬ ফুট উঁচু করা হচ্ছে এবং দুই পাশ পিরামিড আকৃতিতে উঁচু করে নির্মাণ করা হবে, যা চলাচলের পথ আরও সংকুচিত করবে। এ অবস্থায় স্থানীয় সংসদ সদস্য নাসির উদ্দীন
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার কন্টিনালা রেল ব্রিজ থেকে জুড়ী বাজার রেল ব্রিজ পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় কোনো যাতায়াত যোগ্য সড়ক না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেললাইনের ওপর দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে তাদের।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রেললাইনের দুই পাশেই সড়ক নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন কিংবা কৃষিপণ্য আনা-নেওয়াও হয়ে পড়েছে কষ্টসাধ্য। এমনকি কোনো দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ড ঘটলে ফায়ার সার্ভিসের যানবাহন প্রবেশ করাও দুষ্কর হয়ে পড়ে।
এলাকাবাসীর আশঙ্কা, রেললাইনের উন্নয়ন কাজ শেষ হলে পরিস্থিতি আরও সংকটপূর্ণ হতে পারে। যানবাহন চলাচলের কোনো পথ অবশিষ্ট থাকবে না। ফলে রেললাইনের আশপাশের প্রায় পাঁচ শতাধিক বাড়িঘরের বাসিন্দা কার্যত গৃহবন্দী হয়ে পড়বেন।
স্থানীয় জানান, নতুন রেললাইন পূর্বের তুলনায় প্রায় ৬ ফুট উঁচু করা হচ্ছে এবং দুই পাশ পিরামিড আকৃতিতে উঁচু করে নির্মাণ করা হবে, যা চলাচলের পথ আরও সংকুচিত করবে।
এ অবস্থায় স্থানীয় সংসদ সদস্য নাসির উদ্দীন আহমেদ মিঠু সম্প্রতি এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি কন্টিনালা রেল ব্রিজ থেকে জুড়ী বাজার রেল ব্রিজ পর্যন্ত সড়ক সংকটপূর্ণ এলাকা ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা শোনেন।
পরিদর্শনকালে এলাকাবাসী দ্রুত রেললাইনের দুই পাশে সরকারি সড়ক নির্মাণের জোর দাবি জানান। এ সময় এমপি নাসির উদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘জনগণের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে এখানে সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জায়ফরনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জুড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাছুম রেজা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান চুনু, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম, পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতারা।
দ্রুত সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী।
What's Your Reaction?