রোজা শুরুর আগেই লেবুর দামে দুশ্চিন্তা

বগুড়ায় রোজা শুরুর আগেই লেবুর দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে মানুষ। প্রতি পিস লেবু ১০ টাকা থেকে শুরু করে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে অস্বাভাবিকহারে বেড়েছে লেবুর দাম। সরেজমিনে শহরের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহ দুয়েকের ব্যবধানে প্রতি পিস লেবুর দাম বেড়েছে অন্তত ৭-১০ টাকা পর্যন্ত। শহরের বাজারগুলোতে মাঝারি আকারের এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। বড় সাইজেরগুলো প্রতি পিস ১৬ থেকে ২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।   খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, বাগান মালিক ও আড়তদাররা রমজানে বেশি মুনাফার আশায় লেবু ধরে রাখছেন। এতে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তারা দামও বাড়িয়ে নিচ্ছেন। তবে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন লেবুর মৌসুম নয়। গাছে নতুন ফুল ও ছোট ফল আসায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে, এজন্য দাম বেড়েছে। সপ্তাহদুয়েক আগে শহরের ফতেহ আলি বাজারে মাঝারি আকারের প্রতি হালি লেবু বিক্রি হয়েছিল ১৬ থেকে ২০ টাকা। এখন তা দাম বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। যদিও মাসখানেক আগে এ মানের লেবুর প্রতিটি বিক্রি হয়েছিল ৩ থেকে ৫ টাকা দরে। সেই হিসেবে এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় চারগুণ।  শহরের রাজা বাজারের লেবু ব্যবসায়ী র

রোজা শুরুর আগেই লেবুর দামে দুশ্চিন্তা
বগুড়ায় রোজা শুরুর আগেই লেবুর দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে মানুষ। প্রতি পিস লেবু ১০ টাকা থেকে শুরু করে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে অস্বাভাবিকহারে বেড়েছে লেবুর দাম। সরেজমিনে শহরের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহ দুয়েকের ব্যবধানে প্রতি পিস লেবুর দাম বেড়েছে অন্তত ৭-১০ টাকা পর্যন্ত। শহরের বাজারগুলোতে মাঝারি আকারের এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। বড় সাইজেরগুলো প্রতি পিস ১৬ থেকে ২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।   খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, বাগান মালিক ও আড়তদাররা রমজানে বেশি মুনাফার আশায় লেবু ধরে রাখছেন। এতে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তারা দামও বাড়িয়ে নিচ্ছেন। তবে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন লেবুর মৌসুম নয়। গাছে নতুন ফুল ও ছোট ফল আসায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে, এজন্য দাম বেড়েছে। সপ্তাহদুয়েক আগে শহরের ফতেহ আলি বাজারে মাঝারি আকারের প্রতি হালি লেবু বিক্রি হয়েছিল ১৬ থেকে ২০ টাকা। এখন তা দাম বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা। যদিও মাসখানেক আগে এ মানের লেবুর প্রতিটি বিক্রি হয়েছিল ৩ থেকে ৫ টাকা দরে। সেই হিসেবে এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় চারগুণ।  শহরের রাজা বাজারের লেবু ব্যবসায়ী রমজান আকন্দ বলেন, এখন লেবুর ভরা মৌসুম নয়। গাছে নতুন ফুল আসছে। কিছু কিছু গাছে ছোট ফল আসায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। তিনি বলেন, কিছু লেবু গাছ আছে যেগুলোতে কমবেশি সারা বছরই লেবু হয়। সেগুলোই এখন বাজারে বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়া নির্বাচন উপলক্ষ্যে দুই-তিন দিন পরিবহন চলাচল সীমিত থাকায় বাজারে লেবু বেশি দাবি এই ব্যবসায়ীর। লেবুর চড়া দাম দেখে ক্ষুব্ধ ক্রেতারাও। শহরের সাতমাথায় লাল চা বিক্রেতা শাহীন মিয়া বলেন, আগে ৩২ থেকে ৩৬ টাকায় ভালো লেবু পাওয়া যেত। এখন সেই লেবুর হালি ৮০ টাকা। শতকরা হিসেবে পাইকারি কিনলে ১৬০০ টাকা। যার জন্য ৬ টাকার লাল লেবু চা ১০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। লেবু কিনতে আসা মুজাহিদ আলম বলেন, মাসখানেক আগেও ১৫ থেকে ২০ টাকা হালিতে লেবু কিনলাম। রোজা আসার আগেই এখন লেবুর হালি ৪০ থেকে ৬০ টাকা চাচ্ছে। চাকরিজীবী গৃহবধূ আসমা বেগম বলেন, রমজান মাস শুরু হলেই পণ্যের দাম বেড়ে যায়। চড়া দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে হিমশিম খেতে হয় আমাদের। সারাদিন রোজা রাখার পর লেবুর শরবত অনেকটাই স্বস্তি এনে দেয়। কিন্তু লেবুর দামও অস্বাভাবিক হওয়ায় এটা নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। রমজানে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজারে মনিটরিং বাড়ানোর আহ্বান জানান এই ক্রেতা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow