রোজায় ১০ লক্ষাধিক পরিবারকে ন্যায্যমূল্যে খাদ্যপণ্য দেবো: টুকু

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, সারা বাংলাদেশে রোজায় মাসব্যাপী সুলভ মূল্যে বিক্রি অব্যাহত থাকবে। প্রায় ১০ লক্ষাধিক পরিবারকে আমরা ন্যায্য মূল্যে এই খাদ্যপণ্য দেবো। এতে বাজারও কিছুটা নিয়ন্ত্রণ থাকবে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রমজান মাস উপলক্ষ্যে জেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের আয়োজিত টাঙ্গাইল শহরের পৌর উদ্যানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রির উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীরা যারা বাজারে অস্থিতিশীল করতে চায়, সেদিক থেকে আমাদের উদ্যোগ অনেক বেশি কাজে লাগবে। আমরা পর্যায়ক্রমে এর পরিমাণ বাড়াবো। তিনি আরও বলেন, জেলা পর্যায়ে গরুর মাংস ৭০০ টাকা করে, আমরা নির্ধারণ করেছি সাড়ে ৬০০ টাকা। ডিমের দাম ৭ টাকা করে নির্ধারণ করেছি, ঢাকায় ৮টা করে বিক্রি হচ্ছে। আমরা প্রত্যেকটি জিনিস জেলার যে মূল্য রয়েছে, তার চেয়ে কম মূল্যে সরবরাহ করছি। মূলত নিম্ন আয় ও প্রান্তিক মানুষরা যাতে সহজলভ্য হয়। রোজার মধ্যে তাদের প্রোটিন ও ভালো খাদ্যের প্রয়োজন হয়। সেই বিবেচনাতেই আমরা আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে এই উদ্যোগ নিয়েছি। তিনি আর

রোজায় ১০ লক্ষাধিক পরিবারকে ন্যায্যমূল্যে খাদ্যপণ্য দেবো: টুকু

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, সারা বাংলাদেশে রোজায় মাসব্যাপী সুলভ মূল্যে বিক্রি অব্যাহত থাকবে। প্রায় ১০ লক্ষাধিক পরিবারকে আমরা ন্যায্য মূল্যে এই খাদ্যপণ্য দেবো। এতে বাজারও কিছুটা নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রমজান মাস উপলক্ষ্যে জেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের আয়োজিত টাঙ্গাইল শহরের পৌর উদ্যানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রির উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীরা যারা বাজারে অস্থিতিশীল করতে চায়, সেদিক থেকে আমাদের উদ্যোগ অনেক বেশি কাজে লাগবে। আমরা পর্যায়ক্রমে এর পরিমাণ বাড়াবো।

রোজায় ১০ লক্ষাধিক পরিবারকে ন্যায্যমূল্যে খাদ্যপণ্য দেবো: টুকু

তিনি আরও বলেন, জেলা পর্যায়ে গরুর মাংস ৭০০ টাকা করে, আমরা নির্ধারণ করেছি সাড়ে ৬০০ টাকা। ডিমের দাম ৭ টাকা করে নির্ধারণ করেছি, ঢাকায় ৮টা করে বিক্রি হচ্ছে। আমরা প্রত্যেকটি জিনিস জেলার যে মূল্য রয়েছে, তার চেয়ে কম মূল্যে সরবরাহ করছি। মূলত নিম্ন আয় ও প্রান্তিক মানুষরা যাতে সহজলভ্য হয়। রোজার মধ্যে তাদের প্রোটিন ও ভালো খাদ্যের প্রয়োজন হয়। সেই বিবেচনাতেই আমরা আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে এই উদ্যোগ নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, পোলট্রি শিল্প যাতে টিকে থাকে, ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার জন্য আমরা পদক্ষেপ নেবো। তারা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, এবং এ শিল্প যাতে টিকে থাকে সে অনুযায়ী আমি ব্যবস্থা নেবো।

জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কৃত্রিম প্রজননের পরিচালক শাহজামান খান তুহিন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এসময় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ ছিলেন।

আব্দুল্লাহ আল নোমান/এমএন/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow