রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে বায়ার্নকে ৯ গোলে হারাল পিএসজি

সেমিফাইনালের মঞ্চে যেন গোলের বন্যা। নাটকীয়তা, পাল্টাপাল্টি আক্রমণ আর দৃষ্টিনন্দন ফুটবলের এক অসাধারণ প্রদর্শনীতে শেষ পর্যন্ত জয় পেয়েছে পিএসজি। ৯ গোলের রোমাঞ্চকর এই লড়াইয়ে বায়ার্ন মিউনিখকে ৫-৪ ব্যবধানে হারিয়েছে ফরাসি ক্লাবটি। ম্যাচের আগে পিএসজিকে বিশ্বের অন্যতম সেরা দল হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন কোচ লুইস এনরিক। মাঠে নেমে তার শিষ্যরা সেই আস্থার প্রতিদানই দিয়েছে। পার্ক দে প্রিন্সে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ১৭তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন হ্যারি কেন। তবে বেশিক্ষণ এগিয়ে থাকতে পারেনি জার্মান জায়ান্টরা। মাঝমাঠ থেকে দারুণ একক প্রচেষ্টায় সমতায় ফেরান কাভারাৎসখেলিয়া। ৩৩তম মিনিটে জোয়াও নেভেসের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। এরপর মাইকেল ওলিসে সমতা ফেরালেও প্রথমার্ধের শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে গোল করে আবারও লিড এনে দেন ওসমানে দেম্বেলে। দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে পিএসজি। ৫৬তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কাভারাৎসখেলিয়া। এরপর আশরাফ হাকিমির পাস থেকে জোড়া গোল পূর্ণ করেন দেম্বেলে। এতে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৫-২। তবে লড়াই ছাড়েনি বায়ার্ন। উপামেকানোর হেডে একটি গোল শোধ করে দলটি। এরপর ৮১তম মিনিটে লুইস

রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে বায়ার্নকে ৯ গোলে হারাল পিএসজি
সেমিফাইনালের মঞ্চে যেন গোলের বন্যা। নাটকীয়তা, পাল্টাপাল্টি আক্রমণ আর দৃষ্টিনন্দন ফুটবলের এক অসাধারণ প্রদর্শনীতে শেষ পর্যন্ত জয় পেয়েছে পিএসজি। ৯ গোলের রোমাঞ্চকর এই লড়াইয়ে বায়ার্ন মিউনিখকে ৫-৪ ব্যবধানে হারিয়েছে ফরাসি ক্লাবটি। ম্যাচের আগে পিএসজিকে বিশ্বের অন্যতম সেরা দল হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন কোচ লুইস এনরিক। মাঠে নেমে তার শিষ্যরা সেই আস্থার প্রতিদানই দিয়েছে। পার্ক দে প্রিন্সে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ১৭তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন হ্যারি কেন। তবে বেশিক্ষণ এগিয়ে থাকতে পারেনি জার্মান জায়ান্টরা। মাঝমাঠ থেকে দারুণ একক প্রচেষ্টায় সমতায় ফেরান কাভারাৎসখেলিয়া। ৩৩তম মিনিটে জোয়াও নেভেসের গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। এরপর মাইকেল ওলিসে সমতা ফেরালেও প্রথমার্ধের শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে গোল করে আবারও লিড এনে দেন ওসমানে দেম্বেলে। দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে পিএসজি। ৫৬তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কাভারাৎসখেলিয়া। এরপর আশরাফ হাকিমির পাস থেকে জোড়া গোল পূর্ণ করেন দেম্বেলে। এতে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৫-২। তবে লড়াই ছাড়েনি বায়ার্ন। উপামেকানোর হেডে একটি গোল শোধ করে দলটি। এরপর ৮১তম মিনিটে লুইস দিয়াজের দারুণ একক নৈপুণ্যে করা গোলে ব্যবধান কমে আসে ৫-৪ এ। শেষ পর্যন্ত আর সমতায় ফিরতে পারেনি বায়ার্ন। দারুণ এই জয়ে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে এগিয়ে থাকল পিএসজি। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের এক লেগে ৯ গোলের এই ম্যাচটি যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ছুঁয়েছে, যা এর আগে ১৯৫৯-৬০ মৌসুমে দেখা গিয়েছিল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow