রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়েছে ৪০০ ঘর
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে প্রায় ৫০০ ঘর পুড়ে গেছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৩টার দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের শফিউল্লাহ কাটা ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন লাগে। স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ১৬ নম্বর ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকে ব্র্যাক পরিচালিত একটি শিখন কেন্দ্র (লার্নিং সেন্টার) থেকে আগুনের সূত্রপাত। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের বসতঘর ও শেডগুলোতে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। গভীর রাতে আগুন লাগায় ক্যাম্পের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে জীবন বাঁচাতে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। এ বিষয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা বলেন, আগুন লাগার খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সকাল ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ সময়ের মধ্যে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০টি ঘর পুড়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। গত ২৬ ডিসেম্বর সকালে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যায় ৪নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনে প্রায় ৫০০ ঘর পুড়ে গেছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৩টার দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের শফিউল্লাহ কাটা ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন লাগে।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ১৬ নম্বর ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকে ব্র্যাক পরিচালিত একটি শিখন কেন্দ্র (লার্নিং সেন্টার) থেকে আগুনের সূত্রপাত। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের বসতঘর ও শেডগুলোতে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। গভীর রাতে আগুন লাগায় ক্যাম্পের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে জীবন বাঁচাতে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন।
এ বিষয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা বলেন, আগুন লাগার খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সকাল ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ সময়ের মধ্যে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০টি ঘর পুড়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
গত ২৬ ডিসেম্বর সকালে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যায় ৪নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি হাসপাতাল ও এর ২৫ ডিসেম্বর রাতে কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ১০টির বেশি ঘর।
What's Your Reaction?