লক্ষ্মীপুরে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

লক্ষ্মীপুরে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে এই পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সম্রাট খীসার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহকারী পুলিশ সুপার রুপক পাল, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শংকর মজুমদার, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন চন্দ্র নাথ, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি শিমুল সাহা, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যান ফ্রন্টের সদস্য সচিব মানিক সাহা ও মন্দিরভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের সহকারী প্রকল্প পরিচালক মিন্টু ভট্ট। অনুষ্ঠান শেষে ১০ জন শিক্ষককে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও ১০ জন শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। এসময় বক্তারা বলেন, নৈতিক শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা জানান, মন্দিরভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম শিশুদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় নয়,

লক্ষ্মীপুরে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

লক্ষ্মীপুরে মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে এই পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সম্রাট খীসার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সহকারী পুলিশ সুপার রুপক পাল, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শংকর মজুমদার, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন চন্দ্র নাথ, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি শিমুল সাহা, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যান ফ্রন্টের সদস্য সচিব মানিক সাহা ও মন্দিরভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমের সহকারী প্রকল্প পরিচালক মিন্টু ভট্ট। অনুষ্ঠান শেষে ১০ জন শিক্ষককে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও ১০ জন শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

এসময় বক্তারা বলেন, নৈতিক শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা জানান, মন্দিরভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম শিশুদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় নয়, বরং চরিত্র গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এবং শিক্ষকদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে এ ধরনের পুরস্কার প্রদান একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। এতে শিক্ষার মানোন্নয়ন হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুশিক্ষিত ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow