লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে হিন্দুত্ববাদীদের বিক্ষোভে শিখদের বাধা

লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে গত শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) হিন্দুত্ববাদীদের বিক্ষোভ রুখে দিয়েছেন শিখ সম্প্রদায়ের সদস্যরা। এসময় দুই পক্ষের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ। এদিন বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর সহিংসতার অভিযোগে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশ নেন যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীরা। একই সময় সেখানে উপস্থিত হন একদল শিখ ও খালিস্তান আন্দোলনের সমর্থক। খালিস্তান আন্দোলনের লক্ষ্য ভারতের ভেতর থেকে আলাদা করে একটি স্বাধীন শিখ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতার সময় পাঞ্জাব বিভক্তির আলোচনায় এই ধারণার সূত্রপাত হয়েছিল। সমাবেশ চলাকালে খালিস্তান রেফারেন্ডাম প্রচারের সমন্বয়কারী হিসেবে পরিচিত পরমজিৎ সিং পাম্মার সঙ্গে এক ভারতীয় হিন্দু বিক্ষোভকারীর ধস্তাধস্তি হয়। এসময় দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে উভয় পক্ষকে আলাদা করেন এবং হাইকমিশন ভবনের কাছাকাছি এলাকা থেকে তাদের সরিয়ে দেন। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। PRO-KHALISTAN SIKHS CONFRONT AND FORCE INDO-UK HINDU P

লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে হিন্দুত্ববাদীদের বিক্ষোভে শিখদের বাধা

লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে গত শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) হিন্দুত্ববাদীদের বিক্ষোভ রুখে দিয়েছেন শিখ সম্প্রদায়ের সদস্যরা। এসময় দুই পক্ষের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হস্তক্ষেপ করে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ।

এদিন বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর সহিংসতার অভিযোগে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশ নেন যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীরা। একই সময় সেখানে উপস্থিত হন একদল শিখ ও খালিস্তান আন্দোলনের সমর্থক। খালিস্তান আন্দোলনের লক্ষ্য ভারতের ভেতর থেকে আলাদা করে একটি স্বাধীন শিখ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতার সময় পাঞ্জাব বিভক্তির আলোচনায় এই ধারণার সূত্রপাত হয়েছিল।

সমাবেশ চলাকালে খালিস্তান রেফারেন্ডাম প্রচারের সমন্বয়কারী হিসেবে পরিচিত পরমজিৎ সিং পাম্মার সঙ্গে এক ভারতীয় হিন্দু বিক্ষোভকারীর ধস্তাধস্তি হয়। এসময় দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে উভয় পক্ষকে আলাদা করেন এবং হাইকমিশন ভবনের কাছাকাছি এলাকা থেকে তাদের সরিয়ে দেন। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এই ঘটনার পরও খালিস্তানপন্থি শিখ বিক্ষোভকারীরা হাইকমিশনের প্রবেশপথের কাছে মানববলয় তৈরি করে তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যান। এসময় তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেন এবং শহীদ ওসমান হাদি এবং হারদীপ সিং নিজ্জরসহ কয়েকজনকে হত্যার পেছনে ভারত সরকারের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন।

এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি বা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনো বিবৃতি দেয়নি লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ।

সূত্র: এনডিটিভি, ডন
কেএএ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow