লম্বা লাইনের বদলে চালকদের অপেক্ষায় পাম্প কর্মীরা
পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের জন্য মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন যেন প্রতিদিনের সাধারণ চিত্র হয়ে উঠেছিল। তবে ঝিনাইদহের শৈলকুপা এলাকার ফিলিং ষ্টেশনগুলোতে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। সেখানে লম্বা লাইনের পরিবর্তে উল্টো মোটরসাইকেল চালকদের জন্য অপেক্ষা করছেন পেট্রল পাম্পের কর্মচারীরা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল থেকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে এ দৃশ্যে দেখা গেছে। এদিন সকাল ৯ টার পর মোটরসাইকেলে জ্বালানি সরবরাহ শুরু করেন পেট্রল পাম্পের কর্মচারীরা। তবে তেল নেওয়ার জন্য যারা সকাল থেকে অপেক্ষা করছিল তাদের লাইন ২০ মিনিটের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। এরপর মাঝে মাঝে দুই একটা মোটরসাইকেল আসে আর পেট্রল পাম্পের কর্মচারীরা যার যা চাহিদা সেই মত তেল সরবরাহ করে। পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক বলে দাবি করেছেন মোটরসাইকেল চালক ও পেট্রল পাম্পের কর্মচারীরা। যেখানে দুদিন আগেও মোটরসাইকেলের তেল কেনার জন্য অনেক যুদ্ধ করতে হচ্ছিল মোটরসাইকেল চালকদের এমনকি অপেক্ষা করতে হচ্ছিল ঘন্টার পর ঘন্টা। এখন আর এই দৃশ্যের দেখা খুব একটা মিলছে না বললেই চলে। ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া সড়কের পাশে অবস
পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের জন্য মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন যেন প্রতিদিনের সাধারণ চিত্র হয়ে উঠেছিল। তবে ঝিনাইদহের শৈলকুপা এলাকার ফিলিং ষ্টেশনগুলোতে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। সেখানে লম্বা লাইনের পরিবর্তে উল্টো মোটরসাইকেল চালকদের জন্য অপেক্ষা করছেন পেট্রল পাম্পের কর্মচারীরা।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল থেকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে এ দৃশ্যে দেখা গেছে।
এদিন সকাল ৯ টার পর মোটরসাইকেলে জ্বালানি সরবরাহ শুরু করেন পেট্রল পাম্পের কর্মচারীরা। তবে তেল নেওয়ার জন্য যারা সকাল থেকে অপেক্ষা করছিল তাদের লাইন ২০ মিনিটের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। এরপর মাঝে মাঝে দুই একটা মোটরসাইকেল আসে আর পেট্রল পাম্পের কর্মচারীরা যার যা চাহিদা সেই মত তেল সরবরাহ করে। পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক বলে দাবি করেছেন মোটরসাইকেল চালক ও পেট্রল পাম্পের কর্মচারীরা।
যেখানে দুদিন আগেও মোটরসাইকেলের তেল কেনার জন্য অনেক যুদ্ধ করতে হচ্ছিল মোটরসাইকেল চালকদের এমনকি অপেক্ষা করতে হচ্ছিল ঘন্টার পর ঘন্টা। এখন আর এই দৃশ্যের দেখা খুব একটা মিলছে না বললেই চলে।
ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া সড়কের পাশে অবস্থিত হান্নান ফিলিং স্টেশন, বন্যা ফিলিং স্টেশন, জেভি ফিলিং স্টেশন, মোল্লা ফিলিং স্টেশনসহ বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে একই দৃশ্যের দেখা মিলেছে।
মোটরসাইকেল চালক রাব্বি হোসেন জানান, এর আগে দুইদিন প্রায় ছয় ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে মাত্র ৫০০ টাকার তেল পেয়েছিলাম। আজ এসে দেখি পাম্পে কোন মোটরসাইকেলই নেই। আমার চাহিদা মত ১৫০০ টাকার তেল দিয়েছে। তেল পাম্পের এমন পরিস্থিতি দেখে সত্যিই ভালো লাগছে।
হান্নান ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার নাহিদ হেসেন জানান, গত সোমবার আমরা ৪৫০০ লিটার পেট্রল বিক্রি করেছিলাম। সেদিনও পাম্পে খুব একটা লাইন ছিল না। আজ সকাল ৯টা থেকে আবারো পেট্রল বিক্রি শুরু করেছি, পেট্রোল পাম্পে কোন ভিড় নেই। আশা করা যায় ২/১ দিনের মাঝেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
জেভি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. ইসমাইল জানান, গতকাল আমরা অকটেন পেয়েছিলাম গতকাল সারাদিন বিক্রি করেছি। যা অবশিষ্ট ছিল তা সকাল থেকে বিক্রি করছি। পেট্রল পাম্পে গত তিন-চার দিন ধরে কোন ভিড় নেই বললেই চলে। আশা করা যায় খুব দ্রুত পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরবে।
What's Your Reaction?