লাইফ সাপোর্টে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা, যা জানালেন চিকিৎসক 

মিয়ানমার সীমান্ত থেকে আসা গুলিতে আহত কক্সবাজারের টেকনাফের ৯ বছরের শিশু হুজাইফা আফনানের শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। তাকে এখনো আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন কালবেলাকে এ তথ্য জানান।  এর আগে, রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে দাদার সঙ্গে নাস্তা আনতে যাওয়ার সময় সীমান্তের ওপার থেকে আসা গুলিতে গুরুতর আহত হয় ওই শিশু। এরপর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে নিয়ে আসা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে তাকে। গুলিবিদ্ধ হুজাইফা কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল গ্রামের জসিম উদ্দিনের সন্তান। এ বিষয়ে চমেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার মো. তসলিম উদ্দিন জানান, মেয়েটির অবস্থার কোনো উন্নতি নেই। গুলি মেয়েটির মুখ দিয়ে ঢুকে ব্রেইনে চলে গেছে। তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। রোববার রাতে অস্ত্রোপচার করা হলেও শিশুটির মাথা থেকে গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। গুলিটি মস্তিষ্কের ভেতরে অবস্থান করায় তা অপসারণ করা যায়নি। অপসারণ করলে তার মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা আছে।  উল্লেখ্য

লাইফ সাপোর্টে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা, যা জানালেন চিকিৎসক 

মিয়ানমার সীমান্ত থেকে আসা গুলিতে আহত কক্সবাজারের টেকনাফের ৯ বছরের শিশু হুজাইফা আফনানের শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। তাকে এখনো আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন কালবেলাকে এ তথ্য জানান। 

এর আগে, রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে দাদার সঙ্গে নাস্তা আনতে যাওয়ার সময় সীমান্তের ওপার থেকে আসা গুলিতে গুরুতর আহত হয় ওই শিশু। এরপর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে নিয়ে আসা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে তাকে।

গুলিবিদ্ধ হুজাইফা কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল গ্রামের জসিম উদ্দিনের সন্তান।

এ বিষয়ে চমেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার মো. তসলিম উদ্দিন জানান, মেয়েটির অবস্থার কোনো উন্নতি নেই। গুলি মেয়েটির মুখ দিয়ে ঢুকে ব্রেইনে চলে গেছে। তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। রোববার রাতে অস্ত্রোপচার করা হলেও শিশুটির মাথা থেকে গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। গুলিটি মস্তিষ্কের ভেতরে অবস্থান করায় তা অপসারণ করা যায়নি। অপসারণ করলে তার মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা আছে। 

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বিমান হামলা, ড্রোন হামলা, মর্টার শেল ও বোমা বিস্ফোরণ থামছে না। তিন দিন ধরে রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপের আশপাশের এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির অবস্থানে বিমান হামলা জোরদার করেছে সরকারি জান্তা বাহিনী। এতে সীমান্ত পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হচ্ছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow