লাকী আখান্দের জন্য লেখা গানে কন্ঠ দিলেন তরুণ মুন্সী
দীর্ঘ ২৮ বছরের এক দীর্ঘশ্বাস, এক অলৌকিক সুরের অপেক্ষা আর দুই কিংবদন্তির অমূল্য স্মৃতির মেলবন্ধন,সবকিছু মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল একটি গানে। ১৯৯৮ সালের সেই মায়াবী সন্ধ্যা, ধানমন্ডির আড্ডায় সুরকার লাকী আখান্দ আর গীতিকার গোলাম মোর্শেদের যে সৃজনশীল রসায়ন তৈরি হয়েছিল, তার পূর্ণতা পেল আজ। দুই দশকের বেশি সময় ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে পড়ে থাকা সেই না-গাওয়া গানটি অবশেষে প্রাণ পেল বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তরুণ মুন্সীর জাদুকরী কণ্ঠে। ‘যার কাছে মন রেখে’এ কেবল একটি গান নয়, বরং বাংলা সংগীতের এক হারিয়ে যাওয়া অধ্যায়ের পুনর্জন্ম।
গানটি নিয়ে গোলাম মোর্শেদ বললেন,'আমার জীবনের একটা বড় অংশ জুড়ে আছেন লাকী ভাই। শুধু তাকে ভেবেই অনেক গান আমার লেখা হয়েছে। 'যার কাছে মন রেখে' গানটি দেখার পর লাকী ভাই নিজেই সুর করেছিলেন সেসময়। কিন্তু তার আর গাওয়া হয়ে উঠেনি।
তিনি চলে যাবার পর আমিও গানটি এভাবেই রেখে দিয়েছিলাম। তবে গানটি নিয়ে ভাবনা আমার মধ্যে ছিল সবসময়ই। একটা সময় এসে মনে হলো গানটি যদি প্রকাশ করতেই হয় লাকী ভাইয়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তবে তরুণ মুন্সীর চাইতে ভালো কেউ গাইতে পারবে না এটি। আমার সেই বিশ্বাস তরুণ রেখেছে।
দীর্ঘ ২৮ বছরের এক দীর্ঘশ্বাস, এক অলৌকিক সুরের অপেক্ষা আর দুই কিংবদন্তির অমূল্য স্মৃতির মেলবন্ধন,সবকিছু মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল একটি গানে। ১৯৯৮ সালের সেই মায়াবী সন্ধ্যা, ধানমন্ডির আড্ডায় সুরকার লাকী আখান্দ আর গীতিকার গোলাম মোর্শেদের যে সৃজনশীল রসায়ন তৈরি হয়েছিল, তার পূর্ণতা পেল আজ। দুই দশকের বেশি সময় ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে পড়ে থাকা সেই না-গাওয়া গানটি অবশেষে প্রাণ পেল বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তরুণ মুন্সীর জাদুকরী কণ্ঠে। ‘যার কাছে মন রেখে’এ কেবল একটি গান নয়, বরং বাংলা সংগীতের এক হারিয়ে যাওয়া অধ্যায়ের পুনর্জন্ম।
গানটি নিয়ে গোলাম মোর্শেদ বললেন,'আমার জীবনের একটা বড় অংশ জুড়ে আছেন লাকী ভাই। শুধু তাকে ভেবেই অনেক গান আমার লেখা হয়েছে। 'যার কাছে মন রেখে' গানটি দেখার পর লাকী ভাই নিজেই সুর করেছিলেন সেসময়। কিন্তু তার আর গাওয়া হয়ে উঠেনি।
তিনি চলে যাবার পর আমিও গানটি এভাবেই রেখে দিয়েছিলাম। তবে গানটি নিয়ে ভাবনা আমার মধ্যে ছিল সবসময়ই। একটা সময় এসে মনে হলো গানটি যদি প্রকাশ করতেই হয় লাকী ভাইয়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তবে তরুণ মুন্সীর চাইতে ভালো কেউ গাইতে পারবে না এটি। আমার সেই বিশ্বাস তরুণ রেখেছে। অসাধারণ গেয়েছে সে গানটি ।
শ্রোতারাও আশা করি গানটি শোনার পর আমার সাথে একমত হবেন প্রত্যাশা করছি।'
গানটির গায়ক তরুণ মুন্সী বললেন,'এ এক অন্যরকম অনুভূতি। লাকী ভাইয়ের জন্য লেখা গান আমি কখনো গাইবো তা স্বপ্নেও ভাবিনি। আমাকে গোলাম মোর্শেদ ভাই যখন গানটির কথা বললেন আমি এক অদ্ভুত ভালো লাগায় ডুবে গিয়েছিলাম। ছোটবেলা থেকে যার গান শুনে বড় হয়েছি , যাকে অনুসরণ করেছি মিউজিকের জন্য তারই গান গেয়েছি -এটা আসলে বলে বোঝানো সম্ভব না। আমি বর্তমান সময়কে মাথায় রেখে লাকী ভাইয়ের কম্পোজিশন ঠিক রেখে নিজের মতো করে গেয়েছি গানটি। শ্রোতারা গানটি শুনবেন,তাদের মতামত জানাবেন -সেই অপেক্ষায় রইলাম।'
প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান গান জানালা'র ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত হওয়া গানটির মিউজিক ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন রুমকী রুসা ও মাশরুর হোসাইন ।