লালমনিরহাটে ঘরে ঢুকে নারীকে ধর্ষণের পর বালিশচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় স্বপ্না বেগম (৫০) নামে এক স্বামীপরিত্যক্তা নারীকে ধর্ষণের পর বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে।দুর্গাপুর ইউনিয়নের বোর্ডঘর দক্ষিণটারী গ্রামে ওই নারীর নিজ কক্ষ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত স্বপ্না বেগম ওই এলাকার মৃত নজমুল হকের মেয়ে। দীর্ঘদিন ঢাকায় থাকার পর সম্প্রতি তিনি গ্রামের বাড়িতে এসে ভাইয়ের জমিতে বসবাস করছিলেন।স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে স্বপ্না বেগম ঘুম থেকে উঠতে দেরি করায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে একপর্যায়ে স্বজনরা ঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে বিছানায় স্বপ্না বেগমের বিবস্ত্র মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। এ সময় তাঁর নাক দিয়ে রক্ত সদৃশ তরল ঝরছিল এবং ঘরের খাটটিও ভাঙা অবস্থায় ছিল। স্বজন ও স্থানীয়দের ধারণা, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণের পর বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।নিহত স্বপ্না বেগমের স্বজন শাহিনা খাতুন বলেন, "সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর নিহত স্বপ্না বেগমের ঘর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে আমরা ঘরে প্রবেশ করি এবং
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় স্বপ্না বেগম (৫০) নামে এক স্বামীপরিত্যক্তা নারীকে ধর্ষণের পর বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে।
দুর্গাপুর ইউনিয়নের বোর্ডঘর দক্ষিণটারী গ্রামে ওই নারীর নিজ কক্ষ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত স্বপ্না বেগম ওই এলাকার মৃত নজমুল হকের মেয়ে। দীর্ঘদিন ঢাকায় থাকার পর সম্প্রতি তিনি গ্রামের বাড়িতে এসে ভাইয়ের জমিতে বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে স্বপ্না বেগম ঘুম থেকে উঠতে দেরি করায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে একপর্যায়ে স্বজনরা ঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে বিছানায় স্বপ্না বেগমের বিবস্ত্র মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। এ সময় তাঁর নাক দিয়ে রক্ত সদৃশ তরল ঝরছিল এবং ঘরের খাটটিও ভাঙা অবস্থায় ছিল। স্বজন ও স্থানীয়দের ধারণা, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণের পর বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।
নিহত স্বপ্না বেগমের স্বজন শাহিনা খাতুন বলেন, "সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর নিহত স্বপ্না বেগমের ঘর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে আমরা ঘরে প্রবেশ করি এবং গিয়ে দেখি বিবস্ত্র অবস্থায় স্বপ্না বেগম পড়ে আছেন। পরে আমি চিৎকার করলে আমার দেবর ও আশপাশের কয়েকজন লোক ছুটে আসে। এ সময় আমরা দেখতে পাই তাঁর নাক দিয়ে রক্ত বাহির হচ্ছে। এ অবস্থা দেখে আমরা তাঁর শরীরে হাত না দিয়ে পুলিশকে খবর দেই। আমাদের ধারণা রাতে স্বপ্না বেগমকে ধর্ষণের পর বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।"
নিহতের স্বজনরা জানান, স্বপ্না বেগম একাকী ওই ঘরে থাকতেন। ঘরের ভেতরের ধস্তাধস্তির চিহ্ন এবং খাটের ভাঙা অংশ দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে, মৃত্যুর আগে তিনি বাঁচার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, মরদেহ উদ্ধারের সময় ওই নারীর শরীরের নিচের অংশে কোনো পোশাক ছিল না এবং নাক দিয়ে রক্ত সদৃশ তরল ঝরছিল। তিনি আরও বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সুনির্দিষ্টভাবে জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও পুলিশ বিশেষজ্ঞদের মতামতের অপেক্ষা করতে হবে।
What's Your Reaction?