লিটন-মোস্তাফিজদের জন্য জ্যোতিদের মন খারাপ

আসন্না টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। আর লিটন দাস, মোস্তাফিজুর রহমানরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে পারবে না ভেবে খারাপ লাগছে বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির।  এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জ্যোতি বলেন, ‘অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলা একজন খেলোয়াড়ের জন্য অনেক বড় একটা বিষয়। যখন সেটা করতে না পারে…সেটার অনেক কারণ আছে। এটা নিয়ে কথা না বললেই নয় এই সময়টাতে। কিন্তু অবশ্যই খারাপ লাগার বিষয়। একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমার খারাপ লেগেছে। আমি বলব পুরো দলের অনেকেরই অনেক খারাপ লেগেছে এটা অবশ্যই।’ মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছে বাংলাদেশ। সাত ম্যাচের সব কটিতে জেতার পথে মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে জ্যোতিরা। বাছাইপর্ব শেষ করে নেপাল থেকে দেশে ফেরার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক। সেখানেই লিটনদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার প্রসঙ্গে উঠে আসে। বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়লেও বাস্তবতার ওপর কারও হাত নেই বলে মনে করেন জ্যোতি, ‘এখন বাস্তবতা দেখতে হবে। যেটা হচ্ছে সেটা আমাদের মেনে নেয়া ছাড়া কোনো কিছু নেই। আমার কা

লিটন-মোস্তাফিজদের জন্য জ্যোতিদের মন খারাপ

আসন্না টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। আর লিটন দাস, মোস্তাফিজুর রহমানরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে পারবে না ভেবে খারাপ লাগছে বাংলাদেশ নারী দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির। 

এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জ্যোতি বলেন, ‘অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলা একজন খেলোয়াড়ের জন্য অনেক বড় একটা বিষয়। যখন সেটা করতে না পারে…সেটার অনেক কারণ আছে। এটা নিয়ে কথা না বললেই নয় এই সময়টাতে। কিন্তু অবশ্যই খারাপ লাগার বিষয়। একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমার খারাপ লেগেছে। আমি বলব পুরো দলের অনেকেরই অনেক খারাপ লেগেছে এটা অবশ্যই।’

মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছে বাংলাদেশ। সাত ম্যাচের সব কটিতে জেতার পথে মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে জ্যোতিরা। বাছাইপর্ব শেষ করে নেপাল থেকে দেশে ফেরার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক। সেখানেই লিটনদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার প্রসঙ্গে উঠে আসে। বাংলাদেশ দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়লেও বাস্তবতার ওপর কারও হাত নেই বলে মনে করেন জ্যোতি, ‘এখন বাস্তবতা দেখতে হবে। যেটা হচ্ছে সেটা আমাদের মেনে নেয়া ছাড়া কোনো কিছু নেই। আমার কাছে মনে হয় এখন ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করাটাই উচিত।’

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে নিজেদের দারুণ পারফরম্যান্স নিয়ে জ্যোতি বলেন, ‘যা আমাদের নসিবে আছে, আল্লাহ পাক যদি সম্মান দিতে চান সেটা আসলে কারও কাছ থেকে এভাবে চাওয়ার কিছু নাই। সম্মান আল্লাহ পাকই দেন এবং বলব যে পুরো কৃতিত্ব মেয়েদের। কারণ মেয়েরা এই জায়গাটাতে আসার পেছনে সবার অনেক বেশি পরিশ্রম, ত্যাগ এবং ইচ্ছা শক্তিটা অনেক বেশি ছিল। ভালো করলে একটা লাইমলাইটে আসি। না করলে একদমই আসি না। তাই আমাদের কাজই হচ্ছে মাঠে ভালো ক্রিকেট খেলা সো আমরা ওটাতেই ফোকাস করি।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow