লেবাননে এক দিনে ১১৩ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করল ইসরায়েল
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশন ইউএনআইএফআইএল জানিয়েছে, বুধবার ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের দিকে ১১৩টি প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ইউএনআইএফআইএলের তথ্য অনুযায়ী, ২১ জুনের পর এটিই এক দিনে সবচেয়ে বেশি আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনা। ২৬ জুন দুপক্ষের মধ্যে হওয়া ‘পাইলট জোন’ প্রত্যাহার চুক্তির আগের দিনগুলোর পর এবারই প্রথম এত বড় মাত্রায় হামলা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক এই হামলাকে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বৃদ্ধির নতুন ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে দক্ষিণ লেবাননের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। এদিকে ইসরায়েলের তেল আবিবের কাছে অবস্থিত বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী তাদের কিছু আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (এয়ারিয়াল রিফুয়েলিং) বিমান সরিয়ে নেওয়া শুরু করেছে। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ -এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ভ্রমণের ব্যস্ত মৌসুমে বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের এসব বিমান অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। এর পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়ে
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশন ইউএনআইএফআইএল জানিয়েছে, বুধবার ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের দিকে ১১৩টি প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
ইউএনআইএফআইএলের তথ্য অনুযায়ী, ২১ জুনের পর এটিই এক দিনে সবচেয়ে বেশি আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনা। ২৬ জুন দুপক্ষের মধ্যে হওয়া ‘পাইলট জোন’ প্রত্যাহার চুক্তির আগের দিনগুলোর পর এবারই প্রথম এত বড় মাত্রায় হামলা চালানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক এই হামলাকে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বৃদ্ধির নতুন ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে দক্ষিণ লেবাননের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।
এদিকে ইসরায়েলের তেল আবিবের কাছে অবস্থিত বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী তাদের কিছু আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (এয়ারিয়াল রিফুয়েলিং) বিমান সরিয়ে নেওয়া শুরু করেছে।
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ -এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ভ্রমণের ব্যস্ত মৌসুমে বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের এসব বিমান অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। এর পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এসব রিফুয়েলিং বিমান বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবস্থান করছিল। তবে সেখানে ঠিক কতটি বিমান মোতায়েন ছিল বা সেগুলো কোথায় স্থানান্তর করা হচ্ছে, তা জানানো হয়নি।
এর আগে বেসামরিক বিমান চলাচলে এসব সামরিক বিমানের প্রভাব নিয়ে ইসরায়েলে আলোচনা ও সমালোচনা দেখা দিয়েছিল।
সূত্র: আল জাজিরা
What's Your Reaction?