লেবাননের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীর সদরদপ্তরে ইসরায়েলি হামলা
লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপশহর দাহিয়েহ এলাকায় দেশটির স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সদরদপ্তর লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। হামলার সময় এলাকায় অন্তত ৩টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং একটি বহুতল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, হামলার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহর একটি সামরিক অবকাঠামো। বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় দাহিয়েহ এলাকা হিজবুল্লাহর অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। খবর আল জাজিরার।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে হামলা চালানোর জবাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হামলা নয়। তবে হামলার শিকার ভবনটিতে তখন কেউ অবস্থান করছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ পর্যন্ত হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, হামলার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বাসিন্দারা সম্ভাব্য
লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপশহর দাহিয়েহ এলাকায় দেশটির স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সদরদপ্তর লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। হামলার সময় এলাকায় অন্তত ৩টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং একটি বহুতল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, হামলার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহর একটি সামরিক অবকাঠামো। বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় দাহিয়েহ এলাকা হিজবুল্লাহর অন্যতম শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। খবর আল জাজিরার।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে হামলা চালানোর জবাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হামলা নয়। তবে হামলার শিকার ভবনটিতে তখন কেউ অবস্থান করছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ পর্যন্ত হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, হামলার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বাসিন্দারা সম্ভাব্য পরবর্তী হামলার আশঙ্কায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে নেতানিয়াহুকে বৈরুতে হামলা চালানো গ্রহণযোগ্য হবে না বলে সতর্ক করেছিলেন। তিনি বর্তমানে হিজবুল্লাহর ঘনিষ্ঠ মিত্র ইরানের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সাম্প্রতিক এই হামলার ফলে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ঘটনাটি নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।