লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না হলে আমরণ অনশনের হুমকি প্রার্থীর
সিলেট-১ আসনে আাগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে না পারলে আমরণ অনশনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রার্থী অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিলেটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ হুমকি দেন। আনোয়ার হোসেন সুমন অভিযোগ করেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে তার প্রচারণার বিলবোর্ড অপসারণ করা হলেও অন্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে একই বিধি প্রয়োগ করা হচ্ছে না। সংবাদ সম্মেলনে সুমন বলেন, নির্বাচনে তিনি আইনসম্মতভাবে ২০টি বিলবোর্ড স্থাপন করেছিলেন। নির্বাচন আচরণবিধি পর্যালোচনা করে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন, বিধিমালার ১৪ নম্বর দফায় বিলবোর্ডের ক্ষেত্রে রঙিন হওয়া নিষিদ্ধ—এমন কোনো নির্দেশনা নেই। একইভাবে বিধিমালার ৭ নম্বর দফার বিভিন্ন উপদফায় অন্যান্য ব্যানার ও ফেস্টুনের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা বিলবোর্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। আনোয়ার হোসেন বলেন, এসব বিষয় যাচাই-বাছাই শেষে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে লিখিতভাবে অবহিত করেন। ২২ জানুয়ারি প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করার পরই বিলবোর্ডগুলো স্থাপন করা হয়। এরপরও কোনো ধরনের নোটিশ বা
সিলেট-১ আসনে আাগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে না পারলে আমরণ অনশনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রার্থী অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিলেটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ হুমকি দেন।
আনোয়ার হোসেন সুমন অভিযোগ করেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে তার প্রচারণার বিলবোর্ড অপসারণ করা হলেও অন্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে একই বিধি প্রয়োগ করা হচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে সুমন বলেন, নির্বাচনে তিনি আইনসম্মতভাবে ২০টি বিলবোর্ড স্থাপন করেছিলেন। নির্বাচন আচরণবিধি পর্যালোচনা করে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন, বিধিমালার ১৪ নম্বর দফায় বিলবোর্ডের ক্ষেত্রে রঙিন হওয়া নিষিদ্ধ—এমন কোনো নির্দেশনা নেই। একইভাবে বিধিমালার ৭ নম্বর দফার বিভিন্ন উপদফায় অন্যান্য ব্যানার ও ফেস্টুনের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা বিলবোর্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
আনোয়ার হোসেন বলেন, এসব বিষয় যাচাই-বাছাই শেষে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে লিখিতভাবে অবহিত করেন। ২২ জানুয়ারি প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করার পরই বিলবোর্ডগুলো স্থাপন করা হয়। এরপরও কোনো ধরনের নোটিশ বা পূর্ববার্তা ছাড়াই পুলিশ পাঠিয়ে তার বিলবোর্ডগুলো খুলে ফেলা হয়। প্রথমে তিনি ধারণা করেছিলেন, দুর্বৃত্তরা এ কাজ করেছে। পরে নিশ্চিত হন, প্রশাসনের পক্ষ থেকেই বিলবোর্ডগুলো অপসারণ করা হয়েছে।
সিপিবির এই প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, সিলেট মহানগরে দুজন প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রতিটি ওয়ার্ডে দুই থেকে তিনশ বিলবোর্ড স্থাপন করেছেন। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছে ফেস্টুন লাগানো, নির্ধারিত সাইজ অমান্য করা এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশায় পোস্টার লাগানোর মতো একাধিক অনিয়ম করেছেন। তারপরও প্রশাসন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
আনোয়ার হোসেনের ভাষ্য, সিলেটে প্রায় ১০ হাজার সিএনজির মধ্যে বেশিরভাগে ওই দুই প্রার্থীর পোস্টার রয়েছে। এসব অনিয়ম উপেক্ষা করে কেবল তার আইনসম্মত বিলবোর্ডগুলো অপসারণ করা হয়েছে, যা স্পষ্টভাবে পক্ষপাতমূলক আচরণের ইঙ্গিত দেয়।
আহমেদ জামিল/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?